ফের ক্ষমতায় আসলে সব বিভাগে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় করা হবে: প্রধানমন্ত্রী

১৩ সেপ্টেম্বর,২০১৮

দেশের সব বিভাগে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় করা হবে: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
আরটিএনএন
ঢাকা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আগামীতে ক্ষমতায় আসলে দেশের সব বিভাগে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় করা হবে। অামাদের লক্ষ্য জনগণের দোর গোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌ‌ঁছে দেয়া। তাতে অামরা অনেকটা সক্ষম হয়েছি। অারেকবার ক্ষমতায় অাসতে পারলে দেশের জনগণকে অারো উন্নতমানের স্বাস্থ্যসেবা উপহার দিতে পারব।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমইউ) আওতাধীন এক হাজার শয্যাবিশিষ্ট সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে তিনি এসব কথা বলেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেশের চিকিৎসকদের প্রতি অাহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা যেন অান্তর্জাতিক মানের হয় সেভাবে কাজ করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি মানুষ যেন স্বাস্থ্যসেবা পায় সে লক্ষ্য মাথায় রেখে অামরা কাজ করে যাচ্ছি। এ জন্য ১৬ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করা হয়েছে। সেখান থেকে গরীব মানুষ বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা এবং ৩০ প্রকার ওষুধ পাচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, দেশে যাতে অারও বেশি হাসপাতাল ও ক্লিনিক গড়ে ওঠে সে জন্য হাসপাতালের ও চিকিৎসার বিভিন্ন যন্ত্রাংশের ওপর ট্যাক্স কমিয়ে দিয়েছি। অামরা চাই চিকিৎসা ব্যবস্থাটা যেন একটা শিল্প হিসেবে গড়ে উঠে। দেশের প্রাইভেট মেডিকেল কলেজগুলোতে যেন ঠিকমত মানসম্পন্ন পড়াশোনা হয় সে জন্য মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তদারকি করবে।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে এগিয়ে যাবে। ইতোমধ্যে অামরা স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হয়েছি। ২০২১ সালে বাংলাদেশ মধ্যবর্তী এবং ২০৪১ সালে উন্নত দেশ হিসেবে বিশ্বের মানচিত্রে জায়গা করে নেব। বাংলাদেশ তখন অার অবহেলা অবজ্ঞার দেশ থাকবে না। সবাই বাংলাদেশকে সম্মান করবে।

বিএসএমএমইউ-এর ভিসি ডা. কনক কান্তি বড়ুয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম ও স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির সভাপতি শেখ ফজলুল করিম সেলিম বক্তব্য রাখেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেবিন ব্লকের পেছনে নিজস্ব ৩ দশমিক ৮২ একর জমিতে দেশের প্রথম এ সেন্টার বেইজড সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল নির্মাণ হচ্ছে। অত্যাধুনিক এ হাসপাতালে মোট ১১টি সেন্টার থাকবে। ২০২১ সালে ১৩তলা বিশিষ্ট এ হাসপাতালের উদ্বোধন হওয়ার কথা রয়েছে। যেখানে এক ছাদের নিচেই সবধরনের স্বাস্থ্য সেবা মিলবে।

২০০৮ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দ্বিতীয়বার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বভার গ্রহণ করার পর এ বিশ্ববিদ্যালয়কে সেন্টার অব এক্সিলেন্সে পরিণত করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। ২০১২ সালে বর্তমান হাসপাতালের উত্তর পাশের ৩ দশমিক ৮ একর (প্রায় ১২ বিঘা) জমির বন্দোবস্ত দেন। এ প্রকল্পের মোট ব্যয় নির্ধারিত ছিল ৫২৬ কোটি টাকা। নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ হলেও বিস্ময়করভাবে ২০ কোটি টাকা সাশ্রয় হয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়া সরকারের সহযোগিতায় এ ৩ দশমিক ৮ একর জমির ওপর নির্মিত হবে সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল।

২০১৬ সালে ১৩৬৬ কোটি টাকা ব্যয়ের এ প্রকল্পটি অনুমোদন দেয় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি একনেক। ১৩ তলা বিশিষ্ট হাসপাতালটিতে থাকবে এক হাজার শয্যা।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়কে (বিএসএমএমইউ) সেন্টার অব এক্সিলেন্সে পরিণতকরণ দ্বিতীয় পর্যায় প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়েই সম্পন্ন হয়েছে। প্রকল্পের আওয়তায় ইতিমধ্যে কেবিন ব্লকের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ, পাঁচতলা পর্যন্ত দুটি সর্বাধুনিক বহির্বিভাগ নির্মাণ, পাঁচতলাবিশিষ্ট ডক্টরস ডরমেটরিস নির্মাণ, সর্বাধুনিক মেডিকেল কনভেনশন সেন্টার এবং পাঁচতলাবিশিষ্ট অনকোলজি ভবন নির্মাণ কাজ শতভাগ শেষ।

মন্তব্য

মতামত দিন

জাতীয় পাতার আরো খবর

রোহিঙ্গা সঙ্কট সমাধানে জাতিসংঘে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দেবেন প্রধানমন্ত্রী

নিউজ ডেস্কআরটিএনএনঢাকা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে সুনির্দিষ্ট প . . . বিস্তারিত

যুগ্ম সচিব হলেন ১৫৪ কর্মকর্তা

নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও অধিদপ্তরে কর্মরত ১৪৯ উপসচিবকে যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতি দিয়েছে স . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com