চাঁদ দেখা যায়নি, শুক্রবার রোজা শুরু

১৬ মে,২০১৮

চাঁদ দেখা যায়নি, শুক্রবার রোজা

নিজস্ব প্রতিবেদক
আরটিএনএন
ঢাকা: আজ বুধবার (১৬ মে) দেশের আকাশে রমজান মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে শুক্রবার থেকে রমজান মাস শুরু হবে। হিজরি সনের রমজান মাসের চাঁদ দেখার সংবাদ পর্যালোচনা এবং এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের লক্ষ্যে সভা শেষে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ধর্ম বিষয়কমন্ত্রী ও জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ মতিউর রহমান।

বুধবার সন্ধ্যায় বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। হিজরি সনের রমজানকে পবিত্র মাস হিসেবে গণ্য করে থাকে বিশ্বের মুসলিম সম্প্রদায়। মাসজুড়ে রোজা রাখার পর উদযাপন করে ঈদুল ফিতর।

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী ও জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ মতিউর রহমান জানান,বাংলাদেশের আকাশে কোথাও রমজান মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। শুক্রবার থেকে রমজান মাস শুরু হবে।

এদিকে রমজান মাসে খতমে তারাবি পড়ার সময় সারাদেশে সকল মসজিদে একই পদ্ধতি অনুসরণ করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে বলা হয়েছে, রমজান মাসে দেশের প্রায় সকল মসজিদে খতমে তারাবিতে পবিত্র কোরআনের নির্দিষ্ট পরিমাণ পারা তিলাওয়াত করার রেওয়াজ চালু আছে। তবে কোনও কোনও মসজিদে এর ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়। এতে করে কর্মজীবী- যারা বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করেন, তাদের পক্ষে কোরআন খতমের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা সম্ভব হয় না। এ অবস্থায় ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের মধ্যে অতৃপ্তি ও মানসিক চাপ অনুভূত হয়। কোরআন খতমের পূর্ণ সওয়াব থেকেও তারা বঞ্চিত হন। এ পরিস্থিতি নিরসনে রমজানের প্রথম ৬ দিনে দেড় পারা করে ৯ পারা এবং বাকি ২১ দিনে ১ পারা করে ২১ পারা তিলাওয়াত করলে ২৭ রমজান রাতে, অর্থাৎ পবিত্র লাইলাতুল কদরে কোরআন খতম করা সম্ভব।

এর আগে বিষয়টি নিয়ে দেশবরেণ্য আলেম, পীর-মাশায়েখ, খতিব-ইমামদের সঙ্গে আলোচনা হলে তারাও এ পদ্ধতিতে খতম তারাবি পড়ার পক্ষে অভিমত দিয়েছিলেন এবং সে মোতাবেক অধিকাংশ মসজিদে এ পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়। এই অবস্থায় দেশের সকল মসজিদে খতম তারাবিতে প্রথম ৬ দিনে দেড় পারা করে ও পরবর্তী ২১ দিনে এক পারা করে তিলাওয়াতের মাধ্যমে পবিত্র লাইলাতুল কদরে কুরআন খতমের জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে মসজিদের ইমাম, মসজিদ কমিটি, মুসল্লি এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে বিনীত অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

উল্লেখ্য, তারাবি নামাজ ২০ রাকাত, যা রাসুলুল্লাহ্ (সা.) ও সাহাবিরা আমল করেছেন। ইসলামের প্রথম যুগ থেকে ওলামা ও ফকিহরা তা অনুসরণ এবং মসজিদুল হারাম ও মসজিদুন নববীসহ সারাবিশ্বের মুসলমানরা এভাবেই তা পালন করে আসছেন। সেই সঙ্গে তারাবিতে কোরআন তিলাওয়াতের ক্ষেত্রে উচ্চারণ স্পষ্ট হওয়া বাঞ্ছনীয়।

মন্তব্য

মতামত দিন

জাতীয় পাতার আরো খবর

‘এ ধরনের ব্যক্তিকে কি ছেড়ে দেয়া যায়’ 

নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: অধ্যাপক ড. মো. শরীফ উদ্দিনকে চাকরিচ্যুতির আদেশ অবৈধ ঘোষণার রায়ের বিরুদ্ধে খুলনা বিশ্ববিদ্য . . . বিস্তারিত

রাজধানীতে পৃথক অভিযানে আনসার আল ইসলামের ৭ সদস্য আটক

নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: রাজধানীর মুগদা, যাত্রাবাড়ী ও বাড্ডা এলাকায় অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসার আ . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com