ব্রেকিং সংবাদ: |
  • আমি নিজ থেকে শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব নিতে পারি না: মাহাথির
  • বিএনপি নির্বাচন বয়কট করেছে বলে গণতন্ত্র বন্ধ থাকেনি: কাদের
  • মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আসুন ঐক্যবদ্ধ হই: ফখরুল

১২০ কোটি টাকা কর ফাঁকির দায়ে মেসার্স মাসটক্সের দুই পরিচালক গ্রেপ্তার

১৬ মে,২০১৮

১২০ কোটি টাকা কর ফাঁকির দায়ে মেসার্স মাসটক্সের দুই পরিচালক গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক
আরটিএনএন
ঢাকা: ১২০ কোটি টাকা কর ফাঁকির দায়ে মেসার্স মাসটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা করেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। এ মামলায় মেসার্স মাসটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের দুই পরিচালককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার ওই দুই পরিচালককে গ্রেপ্তার করা হয় বলে নিশ্চিত করেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরে।

বন্ড সুবিধায় আমদানির পর অবৈধভাবে পণ্য খোলাবাজারে বিক্রি করে ১২০ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকির দায়ে ওই দুজনকে গ্রেপ্তার করে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর। মঙ্গলবার সেগুনবাগিচা এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন, তুরাগ এলাকার প্রতিষ্ঠান মেসার্স মাসটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান সৈয়দ আবিদুল ইসলাম ও পরিচালক খন্দকার সুরাত আলী।

শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. সহিদুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মঙ্গলবার রাজধানীর কোতোয়ালি থানায় তাদের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং আইনে মামলা করা হয়। সেই মামলাতেই তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শুল্ক গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, গতবছরের ২০ আগস্ট মধ্যরাতে চট্টগ্রাম থেকে আসা একটি কাভার্ড ভ্যান আটক করা হয়। গাড়িতে থাকা বিল অব এন্ট্রি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, কাস্টমস বন্ডেড ওয়্যারহাউজ সুবিধার আওতায় (আই এম-৭ বিই) শুল্কমুক্তভাবে মেসার্স মাসটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ পলি সিনথেটিক ওভেন ফেব্রিক্স (কাঁচামাল) আমদানি করে। এই কাঁচামাল কেন ইসলামপুরে আনা হয়েছে, এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে কাভার্ড ভ্যানের চালক জানান, চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস থেকে পণ্য বোঝাই করে গাড়িটি প্রথমে আরেক ঠিকানায় নেওয়ার জন্য ভাড়া করা হয়। পরে ঢাকার কাছাকাছি আসার পরে ট্রাকবোঝাই কাপড় ইসলামপুর নিয়ে আসার জন্য বলা হলে তিনি ইসলামপুর নিয়ে আসেন।

আই এম-৭ এর মাধ্যমে শুল্কমুক্ত সুবিধার আনা কাঁচামাল বিক্রির উদ্দেশ্যে ইসলামপুর আনা হয়েছে তা নিশ্চিত হয়ে শুল্ক গোয়েন্দা টিম পণ্যসহ গাড়িটি আটক করে সেগুনবাগিচা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে নিয়ে আসেন। পরে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে ওই গাড়ির বিষয়ে তথ্য চাওয়া হলে বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, পণ্যসহ গাড়িটি গত বছরের ২০ আগস্ট সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট তানিয়া কার্গো সার্ভিস ৯৬০ বি-নাগলেন বন্দর কর্তৃপক্ষের গেইট-২ এ কাস্টমস গেইট রেজিষ্ট্রার সিরিয়াল নং-১৭ এর মাধ্যমে ফেব্রিক্স ডেলিভারি নেওয়া হয়।

এই পণ্য অবৈধভাবে অপসারণের প্রমাণ পেয়ে ছয় সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটি প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ইস্যুকৃত কাগজপত্র বিশ্লেষণ করে ১২০ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার বিষয়টি উদঘাটন করে।

এরপরই মেসার্স মাসটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। এই মামলায় দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মন্তব্য

মতামত দিন

জাতীয় পাতার আরো খবর

‘বাংলাদেশে ৭০ লাখ মাদকসেবী, ফিলিপিনের চেয়েও বেশি’

নিউজ ডেস্কআরটিএনএনঢাকা: বাংলাদেশে মাদক ব্যবসা এবং এর ব্যবহার এখন এক ‘ভয়াবহ পর্যায়ে পৌঁছেছে’ এবং ‘রক্ . . . বিস্তারিত

এবার রাজধানীতে বাসের চাকায় পিষ্ট ভ্যানচালকের পা

নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা:  রাজধানীর সদরঘাটে বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে এক ভ্যানচালকের পা থেতলে গেছে।আহত ভ্যানচালকের . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com