নেপালে বিমান দুর্ঘটনায় পুতিনের শোক প্রকাশ

১৩ মার্চ,২০১৮

নেপালে বিমান দুর্ঘটনায় পুতিনের শোক প্রকাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আরটিএনএন
মস্কো: নেপালের ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশের বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউএস বাংলা এয়ারলাইনসের একটি উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে ৫০ জনের প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

সোমবার রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পাঠানো পৃথক শোকবার্তায় তিনি বিমান দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের শোকাহত পরিবার ও স্বজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা এবং আহত ব্যক্তিদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন।

সোমবার ক্রেমলিনের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত শোকবার্তায় পুতিন বলেন, কাঠমান্ডু বিমানবন্দরে বাংলাদেশি বিমান বিধ্বস্তে প্রাণহানির ঘটনায় আমি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। এই দুর্ঘটনায় হতাহত ব্যক্তিদের পরিবার ও তাদের স্বজনদের প্রতি আমার সহানুভূতি পৌঁছে দেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি। আহত ব্যক্তিদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি।

সোমবার (১২ মার্চ) ইউএস বাংলার বোম্বাইডার ড্যাস কিউ৪০০ উড়োজাহাজটি ঢাকা থেকে ৭১ জন আরোহী নিয়ে নেপালের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়। রয়টার্স জানিয়েছে, কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত হয়ে অন্তত ৫০ জন নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার পর নেপালের একমাত্র আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরটি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সূত্র: ইতার তাস

নেপালে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক
ঢাকা: নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (টিআইএ) ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্তে হতাহতের ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সোমবার প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক শোকবার্তায় তিনি শোক প্রকাশ করেন।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী নিহতদের আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করেন এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন। এছাড়া শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

সোমবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ২০ মিনিটে নেপালের ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৭১ জন আরোহী নিয়ে ইউএস-বাংলার বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। এতে ৫০ জনের হতাহতের খবর পাওয়া গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী বাংলাদেশি আশীষের দৃষ্টিতে বিমান বিধ্বস্তের মর্মান্তিক ঘটনা
ইউএস বাংলার ফিরতি ফ্লাইটে দেশে ফেরার জন্য নেপালের ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অপেক্ষা করছিলেন বাংলাদেশি আশীষ কুমার। বিমান দুর্ঘটনার সবকিছুই খুব কাছ থেকে দেখছিলেন তিনি।

ফোনে তিনি জানিয়েছেন, ইউএস বাংলার ফিরতি ফ্লাইটে দেশে ফেরার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে আমি বিমানবন্দরে অপেক্ষা করছিলাম বিমানটির জন্য। সেসময় আমি বিমানবন্দরে নিজের মোবাইল দিয়ে বিভিন্ন চিত্র ধারণ করছিলাম। এসময় ইউএস বাংলার ফিরতি ফ্লাইটটি অবতরণ করছিলো, পুরোপুরি অবতরণ করতে পারেনি, মনে হচ্ছিল বিমানটি কিছুটা ঝুলছিল। কিন্তু হঠাৎ দেখলাম বিমানটিতে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে।

শুধু তাই নয়, রানওয়েতে বিকট শব্দে বিমানটি খণ্ড-বিখণ্ড হয়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে জ্বলতে দেখা গেছে। এসময় আমি কিছু ছবিও তুলেছি, ভিডিও করেছি।

আশীষ কুমার বলেন, বিমানটি যেভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে তা খুবই দুর্ভাগ্যজনক বলেই আমার মনে হয়েছে। ঘটনাটি ঘটার সঙ্গে সঙ্গে কেউ কিছু্ বুঝে উঠতে পারেনি। প্রায় মিনিট দশেক পর সবাই বুঝতে পারে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, ঘটনার পরপরই নেপালের প্রধানমন্ত্রী ও বিমানবাহিনীর কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তদন্তের কথা জানিয়েছেন। এছাড়া বিমান বাহিনীর একটি দল এখনো কাজ করছে।

আশীষ কুমার বলেন, ঘটনার পরপরই বেশ কয়েকটি অ্যাম্বুলেন্সে করে কিছু লাশ নিয়ে যেতে দেখা গেছে। সবশেষ নেপালি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন এ পর্যন্ত ৫০ জন যাত্রী নিহত হয়েছে। তবে বিমানের পাইলট ও কো-পাইলট জীবিত আছেন।

বিমানটিতে থাকা যাত্রীদের মধ্যে ৩৩জন নেপালি ও ৩২জন বাংলাদেশি ছিল।

মন্তব্য

মতামত দিন

জাতীয় পাতার আরো খবর

জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী ঢাকা ত্যাগ করছেন

নিউজ ডেস্কআরটিএনএনঢাকা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৭৩ তম অধিবেশনে যোগ দিতে ৬ দিনের সরকারি . . . বিস্তারিত

ইভিএম কিনতে ৪ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প একনেকে অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: নির্বাচন সামনে রেখে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) কেনাসহ ১২ হাজার ৫৪৪ কোটি টাকার ১৪টি প্র . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com