সর্বশেষ সংবাদ: |
  • বিএনপি নেতা রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর প্রার্থিতা বৈধ করবে বলে জানিয়েছেন আদালত, অ্যাটর্নি জেনারেলের মতামত নেওয়ার পর আদেশ
  • তিন আসনে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে দায়ের করা রিটের শুনানি চলছে
  • সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে সংবিধান, ভোটার ও রাজনৈতিক নেতাদের কাছে দায়বদ্ধ নির্বাচন কমিশন : সিইসি

নেপালে বিমান বিধ্বস্তে হতাহতের ঘটনায় সর্বত্র শোকের ছায়া

১২ মার্চ,২০১৮

নেপালে বাংলাদেশি বিমান বিধ্বস্তে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫০, নিখোঁজ ৯

নিউজ ডেস্ক
আরটিএনএন
ঢাকা: নেপালের ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিধ্বস্ত হওয়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের উড়োজাহাজে থাকা ৬৭ যাত্রীর মধ্যে নিহত হয়েছে অন্তত ৫০ জন- এমনটাই জানিয়েছে নেপালের সেনাবাহিনী।

তবে নেপালের বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মাশফি বিনতে শামস জানিয়েছেন, কাঠমান্ডুতে বিধ্বস্ত হওয়া বিমানে এখন পর্যন্ত ৪৯ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে নিহতদের মধ্যে কতজন বাংলাদেশি তা এখনো জানা যায়নি।

এদিকে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় ১৬ যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিমানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইমরান আসিফ।

নেপালের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র গকুল ভান্দুরী রয়টার্সকে বলেন, এখন পর্যন্ত ৫০টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ৯ জন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। এর মধ্যে সেই বিমানের যাত্রী ছিলেন সাংবাদিক আহমেদ ফয়সাল। এখন পর্যন্ত তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানান তার সহকর্মীরা। তিনি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল বৈশাখীর স্টাফ রিপোর্টার। এখনো তার কোনো খোঁজ পায়নি তার সহকর্মীরা।

দুর্ঘটনার শিকার ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের পাইলট ক্যাপ্টেন আবিদকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। তবে সহকারী পাইলট প্রিথিলা রশিদ নিহত হয়েছেন। এছাড়া রাগিব রাবেয়া মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ আবেদ হোসেন জানান, ১৯তম ব্যাচের ১৩ শিক্ষার্থী ঐবিমানে ছিলেন।

তাদের মধ্যে ১১ জন মেয়ে এবং ২ জন ছেলে রয়েছেন। গত ১০ মার্চ ইয়ারলি ফাইনাল পরীক্ষা শেষ করে সোমবার ইউএস এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে করে তারা সবাই নেপালে তাদের নিজ দেশে যাওয়ার পথে দুর্ঘটনার শিকার হয়।

নিহতরা সবাই এমবিবিএস ফাইনাল ইয়ারের পরীক্ষা শেষ করে নিজেদের দেশ নেপালে ছুটি কাটাতে গিয়েছিলেন। নিহত সঞ্জয় পাউডেল, সানজিয়া মহার্জন, নিগা মহার্জন, আনজিনা শ্রেষ্ঠা, পূর্ণিমা লোহানী, শ্বেতা তাপা, মিলি মহার্জন, সারুনা শ্রেষ্ঠা, আনজিনা বাড়াল, চারু বাড়াল, আসমা শেফায়া, প্রিন্সিধামী ও সামিরা তারা সবাই নেপালের নাগরিক।

ইউএস-বাংলা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে ৭৮ আসনের উড়োজাহাজটিতে ৬৭ জন যাত্রী এবং ৪ জন ক্রু মেম্বার ছিলেন। ত্রিভুবন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এদের মধ্যে ৩৭ জন পুরুষ, ২৭ জন নারীর সঙ্গে ছিল দুই শিশু। এদের মধ্যে ৩৭ জন বাংলাদেশি। নেপালের ৩২ জন, মালদ্বীপের ১ জন এবং চীনের ১ জন ছিলেন বাকিদের মধ্যে।

মঙ্গলবার সকাল ৮টায় ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের বিমানের একটি বিশেষ ফ্লাইট যাবে নেপালে, হতাহতদের পরিবারের একজন করে যেতে পারবেন বলে জানিয়েছে ইউএস বাংলা কর্তৃপক্ষ।

সোমবার রাত ৮টা বেজে ৩০ মিনিটে একথা জানান ইউএস বাংলা কর্তৃপক্ষ। ইউএস বাংলার সঙ্গে যোগাযোগ করা যাবে এই নাম্বারে: ০১৭৭৭৭৭৭৭৬১

এদিকে নেপালে বাংলাদেশের এয়ারলাইন্স ইউএস-বাংলার প্লেন বিধ্বস্তের ঘটনায় দেশটিতে হটলাইন চালু করেছে বাংলাদেশ দূতাবাস। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শাহরিয়ার আলম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

নম্বরগুলো হলো- Md. Al alamul Emam, কনসুলার +9779810100401 এবং Asit Baran Sarker, ফার্স্ট সেক্রেটারি +9779861467422

ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মুখপাত্র প্রেম নাথ ঠাকুরের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ৭৮ আসনের বোম্বার্ডিয়ার ড্যাশ ৮ কিউ-৪০০ মডেলের উড়োজাহাজটি স্থানীয় সময় ২:২০ মিনিটে বিধ্বস্ত হয়। এসটু-এইউজি নামে নিবন্ধিত ফ্লাইটটি ঢাকা ছেড়েছিলো দুপুর ১:৪৩ মিনিটে।

বিমান বন্দরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিমান থেকে ধোয়া বেরুতে এবং তাড়াহুড়া করে যাত্রীদের বিমান থেকে বেরিয়ে আসতে দেখেছেন তারা। যাত্রীদের কয়েকজন আহত হয়েছেন।

ইউএস বাংলার ফিরতি ফ্লাইটে দেশে ফেরার জন্য নেপালের ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অপেক্ষা করছিলেন বাংলাদেশি আশীষ কুমার। বিমান দুর্ঘটনার সবকিছুই খুব কাছ থেকে দেখছিলেন তিনি।

এদিকে ইউএস বাংলার ফিরতি ফ্লাইটে দেশে ফেরার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে আমি বিমানবন্দরে অপেক্ষা করছিলাম বিমানটির জন্য। সেসময় আমি বিমানবন্দরে নিজের মোবাইল দিয়ে বিভিন্ন চিত্র ধারণ করছিলাম। এসময় ইউএস বাংলার ফিরতি ফ্লাইটটি অবতরণ করছিলো, পুরোপুরি অবতরণ করতে পারেনি, মনে হচ্ছিল বিমানটি কিছুটা ঝুলছিল।

কিন্তু হঠাৎ দেখলাম বিমানটিতে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। শুধু তাই নয়, রানওয়েতে বিকট শব্দে বিমানটি খণ্ড-বিখণ্ড হয়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে জ্বলতে দেখা গেছে। এসময় আমি কিছু ছবিও তুলেছি, ভিডিও করেছি।

আশীষ কুমার বলেন, বিমানটি যেভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে তা খুবই দুর্ভাগ্যজনক বলেই আমার মনে হয়েছে। ঘটনাটি ঘটার সঙ্গে সঙ্গে কেউ কিছু্ বুঝে উঠতে পারেনি। প্রায় মিনিট দশেক পর সবাই বুঝতে পারে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে।

এদিকে নেপালি যুবক বসন্ত বহরা এভাবেই বর্ণনা করেন, ‘বিমানটি ভয়ঙ্করভাবে কাঁপছিল। প্রকাণ্ড একটা শব্দও হয়েছে। বিমানের জানালা ভেঙে বের হই।’

বসন্ত আরো বলেন, ‘হঠাৎ করেই বিমানটি ভয়ঙ্করভাবে কাঁপতে থাকে। প্রকাণ্ড শব্দও হয়।’ তিনি বলেন, ‘জানালার পাশেই আমার সিট ছিল। এ সময় জানালার কাঁচ ভেঙে বের হই আমি।’

তিনি বলেন, ‘জানালা থেকে বের হওয়ার পর আর কিছু মনে নেই। কেউ একজন আমাকে সিনামঙ্গল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে আমার বন্ধুরা নরভিক হাসপাতালে নিয়ে আসে।’ তিনি আরো বলেন, ‘আমি মাথায় এবং পায়ে আঘাত পেয়েছি। কিন্তু আমি ভাগ্যবান, কারণ আমি বেঁচে এসেছি।’

নেপালের বেসামরিক বিমান পরিবহন কর্তৃপক্ষের মহাপরিচালক সানজিব গৌতম বলেন, বিমানটির পাইলটকে বিমানবন্দরের দক্ষিণ-প্রান্ত থেকে রানওয়েতে অবতরণের অনুমতি দেয়া হয়েছিল। কিন্তু বিমানবন্দরের উত্তর অংশ থেকে বিমানটি অবতরণের চেষ্টা করে পাইলট।

বিধ্বস্ত বিমানের পাইলটকে অবতরণের ভুল নির্দেশনা দেয়া হয় বিমানবন্দরের এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল রুম থেকে। বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার আগ মুহূর্তে বিমানের পাইলটের সঙ্গে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল রুমের সর্বশেষ কথোপকথনে এমনই আভাস মিলেছে।

নেপালের ইংরেজি দৈনিক নেপালি টাইমস কন্ট্রোল রুমের সঙ্গে পাইলটের সর্বশেষ কথোপকথনের একটি অডিও রেকর্ড হাতে পেয়েছে। নেপালি এ দৈনিক বলছে, কন্ট্রোল রুম থেকে ভুল বার্তা দেয়ার কারণেই ককপিটে দ্বিধায় পড়েন পাইলট।

অডিও রেকর্ডের শুরুতে শোনা যায়, কন্ট্রোল রুম থেকে বিমানের পাইলটকে বিমানবন্দরের ডানদিকের দুই নাম্বার রানওয়েতে অবতরণের নির্দেশনা দেয়া হচ্ছে। পরে পাইলট বলেন, ঠিক আছে স্যার। নির্দেশনা অনুযায়ী পাইলট বিমানটি বিমানবন্দরের ডানদিকে নিয়ে যাওয়ার কথা জানান কন্ট্রোল রুমে।

কিন্তু ডানদিকে রানওয়ে ফ্রি না থাকায় তিনি আবারো কন্ট্রোল রুমের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এ সময় তাকে ভিন্ন বার্তা দেয়া হয়। এবারে প্রশ্ন করা হয়, আপনি কি বর্তমান অবস্থানে থাকতে পারবেন?

এ সময় পাইলট দুই নাম্বার রানওয়ে ফ্রি করার জন্য কন্ট্রোল রুমের কাছে অনুরোধ জানান। কিন্তু তাকে আবারো ভিন্ন বার্তা দেয়া হয়। এর কিছুক্ষণ পর পাইলট বলেন, স্যার আমি আবারো অনুরোধ করছি রানওয়ে ফ্রি করুন। এর পরপরই বিমানটি বিকট শব্দ করতে শুরু করে। কিছুক্ষণ পরই বিমানটি ত্রিভুবণ বিমানবন্দরের পাশের একটি ফুটবল মাঠে আঁছড়ে পড়ে।

বিবিসি খবরে বলা হয়েছে, নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন বিমানবন্দরে এর আগেও আরো বহু বিমান দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে। পাহাড় ঘেরা এই বিমানবন্দরটি কাঠমান্ডু উপত্যকায় এবং শহরের কেন্দ্র থেকে প্রায় ছয় কিলোমিটার দূরে। একের পর এক বিমান দুর্ঘটনার কারণে এই বিমানবন্দরটির নিরাপত্তা নিয়ে প্রায়শই আলোচনা হয়।

নেপাল থেকে এক সংবাদদাতা বলছেন, বিমানবন্দরটিতে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক কোনো বিমান অবতরণের পর থেকে এ পর্যন্ত ৭০টিরও বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে। বলা হচ্ছে, এসব দুর্ঘটনায় ৬৫০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। বিমানের পাশাপাশি সেখানে হেলিকপ্টারও বিধ্বস্ত হয়েছে।

এদিকে আড়াই বছর আগে সৈয়দপুরে দুর্ঘটনার শিকার হওয়া উড়োজাহাজটিই বিধ্বস্ত হয়েছে নেপালে। জানা যায়, নেপালে বিধ্বস্ত হওয়া ইউ-এস বাংলার বোম্বাইডার ড্যাস কিউ৪০০ (এস২-এজিইউ) উড়োজাহাজটিই ২০১৫ সালের ৪ সেপ্টেম্বর যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে রানওয়ে থেকে ছিটকে ঘাসের ওপরে পড়ে। সে সময় যাত্রীরা আতঙ্কিত হলেও এটি সারানোর কোনো উদ্যোগ না নিয়ে এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ নামে মাত্র একটি ব্রিফ দিয়েই দায় সেরেছিল।

বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যায়, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের এই এয়ারক্রাফটটি ৭৪ জন যাত্রী নিয়ে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে অবতরণের সময় উড়োজাহাজটি রানওয়ের এক প্রান্তে ইউটার্ন নিয়ে যখন পার্কিং বে- তে আসছিল তখন একটি চাকা আটকে যায়।

সেদিন ঢাকা থেকে দ্রুততার সঙ্গে হেলিকপ্টারযোগে ইউএস-বাংলার দক্ষ প্রকৌশলীদের নিয়ে যাওয়া হয়। কিছুক্ষণের মধ্যে প্রকৌশলীরা বিমানটি পার্কিং বে- তে ফিরিয়ে আনেন এবং ফিরতি যাত্রীদের নিয়ে যথারীতি ঢাকায় ফিরে আসে। এর ঠিক প্রায় আড়াই বছর পর সেই উড়োজাহাজটিই সোমবার নেপালে বিধ্বস্ত হওয়ায় ঘটনাটিকে এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের গাফিলতি হিসেবে মনে করছেন সাধারণ মানুষ।

এই বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় বাংলাদেশ ও নেপালসহ বিভিন্ন দেশে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঘটনা পর নেপালের প্রধানমন্ত্রী খাদগা প্রসাদ শর্মাকে ফোন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নেপালের প্রধানমন্ত্রী গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। শেখ হাসিনা বলেছেন, ত্রিভুবন বিমানবন্দর খোলার সঙ্গে সঙ্গে সাহায্যকারী দল পাঠাবে বাংলাদেশ। তিনি সিঙ্গাপুর সফর সংক্ষিপ্ত করে মঙ্গলবার দেশে ফিরে আসছেন।

হতাহতের ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এছাড়া শোক প্রকাশ করেছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিও এই দূর্ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন। গতকাল সোমবার এক শোক বার্তায় তিনি বলেন, ‘নেপালের কাঠমন্ডুতে বাংলাদেশের বিমান সংস্থার ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় আমরা মর্মাহত।

মন্তব্য

মতামত দিন

জাতীয় পাতার আরো খবর

৫৮ নিউজপোর্টাল বন্ধের নির্দেশনা প্রত্যাহার করল সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: অবশেষে দেশীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিবাদের মুখে কয়েকটি জনপ্রিয় নিউজপোর্টালসহ ৫৮টি ওয়েবসাইট . . . বিস্তারিত

৫৮টি অনলাইন নিউজ পোর্টাল যে কারণে বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিল বিটিআরসি

নিউজ ডেস্কআরটিএনএনঢাকা: বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা- বিটিআরসি দেশের ৫৮টি অনলাইন পোর্টাল বন্ধের নির্দেশ দিয়েছ . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com