মতাদর্শগত বিরোধের জেরে কাকরাইলে তাবলীগ জামাতের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ

১৪ নভেম্বর,২০১৭

কাকরাইল মসজিদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
আরটিএনএন
ঢাকা: মতাদর্শগত বিরোধের জেরে রাজধানীর কাকরাইল মসজিদে তাবলীগ জামাতের দুই গ্রুপের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় মসজিদের বাইরে এবং ভেতরে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে বলে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী মঈনুল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কাজী মঈনুল জানান, মূলত মতাদর্শগত বিরোধের কারণে দুই গ্রুপের মধ্যে ধস্তাধস্তি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। মসজিদে পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন সদস্যদের সঙ্গে বসে সমঝোতার চেষ্টা করছি।

সুমন নামে তবলীগের একজন জানান, তবলীগ জামাতের সদস্য মাওলানা জুবায়ের এবং সুরা সদস্য ওয়াসিফুল ইসলামের গ্রুপের মধ্যে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটেছে। জুবায়ের পাকিস্তান গিয়ে একটি জামাতে অংশ নিয়ে আহমেদ লাকশাহ নামের একজনের সঙ্গে দেখা করে। তিনি জুবায়েরের কাছে বাংলাদেশের তাবলীগ জামাতের সদস্যদের জন্য একটি বার্তা দিয়েছিলেন। তবে জুবায়ের বাংলাদেশে এসে সে বার্তা জানায়নি।

তিনি আরো জানান, সুরা সদস্যরা অন্য মাধ্যমে বার্তার বিষয়টি জানতে পারেন। মঙ্গলবার সকালে সুরা সদস্যদের বৈঠকের সময় বিষয়টি উঠে আসে এবং তখনই দুইপক্ষের সংঘর্ষ শুরু হয়।

সাত কর্মকর্তাসহ ১৬ পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা
দুই যুবককে অপহরণের পর গুমের অভিযোগে যশোর কোতয়ালি থানার সাত কর্মকর্তাসহ ১৬ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে।

মঙ্গলবার যশোরের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শাহিনুর রহমানের আদালত অভিযোগ আমলে নিয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্ত প্রতিবেদন দিতে আদেশ দিয়েছেন।

যশোর শহরের শংকরপুর পশুহাসপাতাল এলাকার তৌহিদুল ইসলাম ওরফে খোকনের স্ত্রী হিরা খাতুন ওই মামলা করেন।

মামলার আসামিরা হলেন- কোতয়ালি থানার এসআই এইচএম শহিদুল ইসলাম, আমির হোসেন, হাসানুর রহমান, এএসআই রাজন গাজী, সেলিম মুন্সী, বিপ্লব হোসেন, সেলিম আহমেদ এবং কনস্টেবল আরিফুজ্জামান, রফিকুল ইসলাম, হাবিবুর রহমান, আবু বক্কার, মাহমুদুর রহমান, রাজিবুল ইসলাম, টোকন হোসেন, ড্রাইভার (কনস্টেবল) মো. রমজান ও মিজান শেখ।

এজাহারে বাদী উল্লেখ করেছেন, ৫ এপ্রিল সকাল ১০টার দিকে বাদীর ছেলে সাঈদ ও তার বন্ধু শাওন পৌর পার্কে বেড়াতে আসে। ওই দিন বেলা ১২টার দিকে সাক্ষী সাব্বির হোসেন ফোনে জানায় ছেলে সাঈদ ও শাওনকে পুলিশ আটক করেছে।

ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি দেখেন পুলিশ ওই দুইজনকে গাড়িতে উঠিয়ে নিয়ে চলে যাচ্ছে। এরপর বাদী ও সাক্ষীরা কোতয়ালি থানায় যান।

কিন্তু তাদের থানায় ঢুকতে দেয়া হয়নি। সন্ধ্যা পর্যন্ত বাদী ও সাক্ষীরা থানার সামনে বসে ছিল। তারপর সন্ধ্যা ৭টার দিকে ১ ও ২ নম্বর আসামি বাদীকে ডেকে ছেলেকে ছাড়াতে দুই লাখ টাকা দাবি করে।

দাবিকৃত টাকা না দিলে ছেলেকে মেরে লাশ গুম কারার হুমকি দেয়া হয়। সাক্ষীরা বাদীকে বোঝায় পুলিশকে টাকা দেয়ার দরকার নেই। আদালতে চালান দিলে সেখান থেকে জামিন নেয়া যাবে। কিন্ত ৭ এপ্রিল পত্রিকার খবরে তিনি জানতে পারেন সাঈদ ও শাওন পালিয়েছে।

থানায় ও আদালতে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বাদীর ছেলে ও তার বন্ধু পালিয়েছে। সেই ঘটনায় মামলা হয়েছে। ওই দুজনকে আসামি করা হয়েছে।

এরপর বাদী আসামিদের কাছে গিয়ে ছেলের সন্ধান চাইলে তার সঙ্গে খারাপ আচরণ করে। কোন উপায় না পেয়ে ৩০ মে বাদী সংবাদ সম্মেলন করেন। তাতেও কোন সন্ধান মেলেনি।

বাদীর ধারণা ঘুষের দুই লাখ টাকা না দেয়ায় আসামিরা ক্ষিপ্ত হয়ে তাদেরকে হত্যার পর লাশ গুম করেছে। পরে বিভিন্নস্থানে ঘুরেও ছেলের সন্ধান পায়নি বাদী।

মন্তব্য

মতামত দিন

জাতীয় পাতার আরো খবর

‘অন্যায়ের মধ্য দিয়ে যারা ক্ষমতা দখল করে তারা ন্যায়বিচার করতে পারে না’

নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: ‘অন্যায়ের মধ্য দিয়ে যারা ক্ষমতা দখল করে তারা কখনো ন্যায়বিচার করতে পারে না’ বলে . . . বিস্তারিত

এক পরিবারের সবাই ইয়াবা ব্যবসায়ী!

নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: জহির আহমেদ ওরফে মৌলভী জহির প্রায় ১৫ বছর আগে থেকে টেকনাফে সিএনএফ এজেন্ট হিসেবে ব্যবসা করেন। . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com