সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন আবার পেছাল

১৪ নভেম্বর,২০১৭

সাংবাদিক সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন আবার পেছাল

নিজস্ব প্রতিবেদক
আরটিএনএন
ঢাকা: বহুল আলোচিত সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় আবারো পিছিয়েছে। প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৬ ডিসেম্বর নতুন দিন ধার্য করেছে আদালত। এইবার নিয়ে মোট ৫২ বারের মতো প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পেছাল।

মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর হাকিম মাজহারুল হকের আদালতে এই মামলার প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। কিন্তু এ দিন র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিবেদন দাখিল না করায়, বিজ্ঞ বিচারক নতুন দিন ধার্য করেন।

উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় নির্মমভাবে খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি। পরদিন ভোরে তাদের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

প্রথমে মামলাটি তদন্ত করে শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ। চার দিনের মাথায় মামলাটি হস্তান্তর করা হয় মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ ডিবির কাছে। তদন্তের ৬২ দিনের মাথায় উচ্চাদালতে ব্যর্থতা স্বীকার করে ডিবি।

পরে উচ্চ আদালতের নির্দেশে ২০১২ সালের ১৮ই এপ্রিল মামলাটি র‌্যাবে হস্তান্তর করা হয়। হত্যাকাণ্ডের ৭৬ দিনের মাথায় ওই বছরের ২৬শে এপ্রিল পুনঃময়নাতদন্তের জন্য কবর থেকে উত্তোলন করা হয় সাগর-রুনির লাশ। লাশের ভিসেরা আলামতসহ আরো কিছু নমুনা সংগ্রহ করা হয়।

ঘটনার দিন থেকেই শুধুই আশ্বাস আর প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের কাছ থেকে। তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন দিয়েছিলেন ৪৮ ঘণ্টার প্রতিশ্রুতি। এর মধ্যেই খুনিদের গ্রেপ্তার করা হবে বলে জানিয়েছিলেন তিনি।

এ সময় শেষ হওয়ার আগেই তৎকালীন পুলিশ মহাপরিদর্শক হাসান মাহমুদ খন্দকার বলেছিলেন, তদন্তে প্রণিধানযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।

কিন্তু সেই ৪৮ ঘণ্টা পেরিয়ে ৪৮ মাসও বহু আগে পেরিয়েছে, তবুও প্রণিধানযোগ্য অগ্রগতির কোনো দেখা পাওয়া যায়নি।

চার বছরেও সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের কোনো কূলকিনারা না হওয়ায় পুরোপুরি হতাশ হয়ে গেছেন নিহতদের পরিবারের সদস্যরা।

তারা এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন, খুনিদের শনাক্ত কিংবা গ্রেপ্তারের আর কোনো সম্ভাবনাই দেখছেন না। সবকিছু ছেড়ে দিয়েছেন সৃষ্টিকর্তার হাতে।

মামলার বাদি ও নিহত মেহেরুন রুনির ছোট ভাই নওশের আলম রোমান বলেন, দুঃখ একটাই, এতবড় একটি ঘটনা ঘটিয়েও খুনিরা পার পেয়ে যাচ্ছে। তাদের শনাক্তই করতে পারছে না পুলিশ-র‌্যাব।

মন্তব্য

মতামত দিন

জাতীয় পাতার আরো খবর

শিক্ষক মৃত্যুর পর মাদ্রাসা জাতীয়করণের আশ্বাসে অনশন প্রত্যাহার

নিজস্ব প্রতিবিদকআরটিএনএনঢাকা: ঢাকার প্রেসক্লাবের সামনে নন-এমপিওভুক্ত ইবতেদায়ি শিক্ষকদের আমরণ অনশনে কুষ্টিয়ার এক শিক্ষকের . . . বিস্তারিত

‘মোবাইল কোর্টের’ শুনানিতে মোবাইল জব্দ!  

নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা অবৈধ ঘোষণা করে রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com