সর্বশেষ সংবাদ: |
  • গাজীপুরের টঙ্গীর আরিচপুরে দুইপক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত, আশঙ্কাজনক অবস্থায় একজন হাসপাতালে
  • নির্বাচনের মাঠ এখনও লেভেল প্লেয়িং হয়নি: ড. কামাল
  • প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন চায় না নির্বাচন কমিশন, প্রার্থীদের সমান সুযোগ নিশ্চিতে নিরপেক্ষতার প্রশ্নে ছাড় নয় : কমিশনার শাহাদাত
  • বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার শুরু হবে ১৮ নভেম্বর, প্রথম দিন রাজশাহী ও রংপুর বিভাগ

বিজিবি ও মায়ানমারের এমপিএফ-এর মধ্যে সীমান্ত সম্মেলন শুরু

১৪ নভেম্বর,২০১৭

বিজিবি ও মায়ানমারের এমপিএফ-এর মধ্যে সীমান্ত সম্মেলন শুরু

নিউজ ডেস্ক
আরটিএনএন
ঢাকা: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং মায়ানমার পুলিশ ফোর্স (এমপিএফ)-এর মধ্যে শীর্ষ পর্যায়ের সীমান্ত সম্মেলন (১৩ থেকে ১৮ নভেম্বর) সোমবার শুরু হয়েছে। সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক বৈঠক মঙ্গলবার মায়ানমারের নেপিতো শহরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। খবর বাসস

সম্মেলনে বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবুল হোসেনের নেতৃত্বে ১৪ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল এবং মায়ানমার পুলিশ ফোর্সের ‘চীফ অব পুলিশ জেনারেল স্টাফ’ পুলিশ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মায়ো সুয়ি উইন-এর নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের মায়ানমার প্রতিনিধিদল অংশগ্রহণ করে।

বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে বিজিবি ছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, কোস্ট গার্ড-এর কর্মকর্তাবৃন্দ এবং মায়ানমারে নিযুক্ত বাংলাদেশের ডিসেন্স এটাসে অংশগ্রহণ করেন।

অপরদিকে মায়ানমার প্রতিনিধিদলে মায়ানমার পুলিশ ফোর্স (এমপিএফ) এবং বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি) এর উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, সে দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, মাদক ও কাস্টমস বিভাগের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

বাংলাদেশ ও মায়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ের এই সম্মেলনে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর পক্ষ থেকে আলোচ্য বিষয়ের মধ্যে রয়েছে- সীমান্ত লঙ্ঘন ও অবৈধ অনুপ্রবেশ, সীমান্ত এলাকায় নির্বিচারে গুলি চালানো, ভূমি ও আকাশসীমা লঙ্ঘন, সীমান্তে সামরিক বাহিনীর চলাচল, মাইন স্থাপন, পুঁতে রাখা মাইন ও বিস্ফোরক অপসারণ, সন্ত্রাসী ও নাগরিকদের আটক ও অপহরণ, আন্তঃসীমান্ত অপরাধ যেমন; মাদক ও নেশাজাতীয় দ্রব্য বিশেষ করে ইয়াবা পাচার, চোরাচালান দ্রব্য, মানব পাচার, অবৈধভাবে মাছ আহরণ ও বাংলাদেশী জেলেদের উপর গুলিবর্ষন, সীমান্ত নিরাপত্তায় পারস্পরিক সহযোগিতা যেমন- নিয়মিত পতাকা বৈঠক, স্থানীয় অধিনায়ক পর্যায়ের বৈঠক, নাফ নদীসহ সীমান্তে সমন্বিত যৌথ টহল ও সীমান্তে যৌথ নজরদারি, পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধির পদক্ষেপ যেমন; ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও খেলাধুলা, প্রশিক্ষণ ও সফর বিনিময়, সাংস্কৃতিক কর্মসূচি বিনিময়, উভয় বাহিনীর পরিবার কল্যাণ সমিতির সদস্যদের ভ্রমনসহ বিবিধ বিষয়ে আলোচনা করা হবে।

এছাড়া মায়ানমারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপ-মন্ত্রী এবং চীফ অব মায়ানমার পুলিশ ফোর্স এর সাথে বিজিবি মহাপরিচালকের সৌজন্য সাক্ষাতের কথা রয়েছে।

৩০ নভেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশ-মায়ানমারের ‘জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ’ গঠন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এমপি বলেছেন, আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশ - মায়ানমারের সমসংখ্যক প্রতিনিধি নিয়ে একটি ‘জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ’ তৈরি করা হবে। সেই ওয়ার্কিং গ্রুপই সিদ্ধান্ত নেবে কিভাবে, কখন রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে।

এ ছাড়া রোহিঙ্গা কিভাবে তাদের উন্নয়ন হবে সে বিষয়েও ওয়ার্কিং গ্রুপ কাজ করবে। খবর বাসসের।

তিনি বৃহস্পতিবার শেরপুরে নালিতাবাড়ী উপজেলার আড়াইআনি পুলিশ ফাঁড়ির ভিত্তিফলক উন্মোচন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন। কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী এসময় তার সাথে ছিলেন। পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নালিতাবাড়ী ফায়ার সার্ভিস ও নালিতাবাড়ী থানার নবনির্মিত ভবন উদ্বোধন করেন।

সংসদ সদস্য প্রকৌশলী এ কে এম ফজলুল হক, ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার জিএম সালেহ উদ্দিন, রেঞ্জ ডিআইজি নিবাস চন্দ্র মাঝি, অতিরিক্ত ডিআইজি ড. আক্কাছ উদ্দিন ভুঁইয়া, জেলা প্রশাসক ড. মল্লিক আনোয়ার হোসেন, পুলিশ সুপার রফিকুল হাসান গণি, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর রুমান, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন ও পুলিশের কর্মকর্তা এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, মানবিক কারনে রোহিঙ্গদের আশ্রয় দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা ১২ সদস্যের প্রতিনিধিদল মায়ানমারে গিয়েছিলাম। সেখানে তাদের সাথে আমাদের একটি চুক্তি হয়েছ। সেই চুক্তি অনুযায়ী এই ‘জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ’ গঠন করা হচ্ছে।

রোহিঙ্গাদের উপস্থিতির কারেণ টেকনাফ ও উখিয়ায় সামাজিকভারে বিপর্যয় নেমে আসতে পারে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, টেকনাফ ও উখিয়ার মোট জনগণের চেয়ে তিন গুণ বেশি রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে। কাজেই আমরা নানা ধরণের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছি। তারপরও রোহিঙ্গারা যাতে শান্তিতে থাকতে পারে, সেজন্য এদেশের শান্তি প্রিয় মানুষ, আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ও সেনাবাহিনী দিন-রাত কাজ করছে।

তিনি বলেন, মানুষের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে পুলিশের জনবল কাঠামো আরো বাড়ানো হবে। এ জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে পুলিশের জনবল বৃদ্ধি এবং এ বাহিনীর জন্য আধুনিক আবাসস্থল ও উন্নত যানবাহনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

মন্তব্য

মতামত দিন

জাতীয় পাতার আরো খবর

আলোচিত সাত খুন মামলায় ১৫ জনের মৃত্যুদণ্ডের হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: নারায়ণগঞ্জে আলোচিত সাত খুন মামলায় ১৫ জনের মৃত্যুদণ্ডের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ . . . বিস্তারিত

টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা স্থগিত!

নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: টঙ্গীতে অনুষ্ঠিতব্য আসন্ন বিশ্ব ইজতেমা স্থগিত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে স্বরা . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com