সুন্দরবনের প্রতি সরকারের কোনো ভালোবাসা নেই: মতিন

১২ আগস্ট,২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক
আরটিএনএন
ঢাকা: তিনি আরো বলেন, সুন্দরবন ধ্ব্ংসে একের পর এক   কর্মকাণ্ড হাতে নিচ্ছে সরকার৷ কারোর কথাই কর্ণপাত করছে না আওয়ামী লীগ সরকার।

পরিবেশবাদী এ নেতা আরো বলেন, সুন্দরবনের প্রতি ভালবাসা থাকলে কোনোভাবেই কোনো দেশের গণতান্ত্রিক সরকার এই ধরনের একটি ওয়ার্ল্ড হেরিটজকে এভাবে ধ্বংস করে দিতে পারত না৷ খবর ডয়েচ এবেলের।

তিনি আরো বলেন, সুন্দরবন এলাকায় আগে থেকেই ১৮০টি শিল্প কল-কারখানা ছিল৷ এখন নতুন করে আরো ৩২০টি শিল্প কারখানাকে অনুমোদন দেয়া হলো৷ আরো ১৫০ জনকে দেয়া হলো শিল্প প্লট৷
এছাড়া রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র করার ব্যাপারে সরকার অটল রয়েছেই৷ এমনটা যদি হয় তারপরও কি সুন্দরবন বাঁচবে?
তিনি জানান, সর্বশেষ গত রবিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে জাতীয় পরিবেশ কমিটির চতুর্থ সভা অনুষ্ঠিত হয়৷ সেই সভাতেই সুন্দরবন ঘেঁষে ৩২০টি শিল্পকারখানাকে নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় পরিবেশ কমিটি৷ অথচ সম্প্রতি ইউনেস্কোও বলেছে, কৌশলগত পরিবেশ সমীক্ষা (এসইএ) ছাড়া এখানে ভারী শিল্প ও স্থাপনা করা যাবে না৷

ঐ বৈঠকের পর পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, ‘‘ইউনেস্কো যেহেতু রামপালের ব্যাপারে তাদের আপত্তি তুলে নিয়েছে, সেহেতু অন্যান্য শিল্পকারখানার ব্যাপারেও তাদের কোনো আপত্তি নেই বলে আমরা মনে করছি৷

 তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রা জাতীয় কমিটির সদস্যসচিব অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ ডয়চে ভেলেকে বলেন, সরকার যেটা করছে সেটা নিয়ে কী বলব? সরকার পরিবেশ ও সুন্দরবন রক্ষায় করা নিজের আইন নিজেরাই ভঙ্গ করছে৷

তিনি আরো বলেন, সরকার দেশের জনগণ ও বিশ্ববাসীর কাছে সুন্দরবন রক্ষার যেসব অঙ্গীকার করেছে, তারও বরখেলাপ করছে৷ এ সব আইন ভাঙার অনুমোদন যেভাবে সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে দেওয়া হচ্ছে, তাতে মনে হচ্ছে যে এই সরকারের কাছে দেশের সুন্দরবন ও পরিবেশ নিরাপদ নয়৷ প্রথমত তারা ইউনেস্কোর রিপোর্ট ভুলভাবে উপস্থাপন করেছে আর এখন সেসবের কিছুই মানছে না৷

মন্তব্য

মতামত দিন

জাতীয় পাতার আরো খবর

ডিএনসিসি’র মেয়র ও নতুন ৩৬ ওয়ার্ডে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত রবিবার

ঢাকা: ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র পদে উপ-নির্বাচনের সঙ্গে এ সিটির নতুন ১৮টি ওয়ার্ড এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি . . . বিস্তারিত

এই ছবি দেখেই কি আত্মসমর্পণ করেছিলেন নিয়াজী?

নিউজ ডেস্কআরটিএনএনঢাকা: ১৯৭১-এর যুদ্ধের সময়ে ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল মানেকশ-র দপ্তরে তখন জনসংযোগ আধিকারিক হিসাবে কাজ . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com