‘আইন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর থেকে মানুষ আস্থা হারিয়েছে’

১২ আগস্ট,২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক
আরটিএনএন
ঢাকা: দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর ‘দিনে দিনে সাধারণ মানুষের আস্থা কমে যাচ্ছে। জননিরাপত্তায় নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীই আতঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে মৌলিক অধিকার সুরক্ষা কমিটি অয়োজিত ‘আইনের শাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনায় বক্তারা এমন অভিমত ব্যক্ত করেছেন। 

এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য থেকে শুরু করে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের লোকেরা আইন লঙ্ঘন করলে তাদের বিচার কীভাবে হবে সেটি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন আলোচকরা। এসব বিষয় সমাধানে ন্যায়পাল নিয়োগের বিধান কার্যকর করার দাবি তোলা হয় সভা থেকে।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়ার সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন- গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, গণস্বাস্থ্যের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফর উল্লাহ চৌধুরী, আইন ও সালিস কেন্দ্রের সাবেক নির্বাহী পরিচালক নূর খান লিটন, ঢাবির আইন বিভাগের অধ্যাপক সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. আসিফ নজরুল, ঢাবির আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. রেদওয়ানুল হক, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, মানবাধিকার কর্মী শিরীন হক।

মৌলিক অধিকার সুরক্ষা কমিটির সদস্য আইন ও সালিস কেন্দ্রের সাবেক নির্বাহী পরিচালক নূর খান লিটন বলেন, ‘ আলোচনার শিরোনামে স্বজ্ঞানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিবর্তে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলা হয়েছে। কারণ বাহিনীর সঙ্গে রক্ষাকারী শব্দটি আর যায় না।’
তিনি বলেন, ‘সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের স্বামী আবু বকর সিদ্দিককে অজ্ঞাতপরিচয় লোকজন অপহরণ করে ৩ বছর আগে। অপহরণের পরপরই থানায় মামলা দায়ের করলেও কারা এর পেছনে ছিলো সে সম্পর্কে তদন্তে কিছু জানা যায়নি।’

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ড. জাফরউল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দলীয়করণের কারণে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, আইনের শাসন বিঘ্নিত হবার মতো ঘটনার সৃষ্টি হচ্ছে। আমরা সবাই হতাশায় ভুগছি। একটি স্বাধীন কমিশন গঠন করে এই সমস্যার কিছুটা সমাধান করা যেতে পারে। আর এই বিচারপতিকে কি কিছু করা যায় না ? আমি কিংবা আসিফ নজরুল তো আদালত অবমাননা করি নাই। অবমাননা করছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি খাইরুল হক।’

প্রবন্ধে তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্র ছাড়া আইনের শাসন হবে না, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও তাদের ভূমিকা পালন করতে পারবে না। নির্যাতন, বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতার এগুলোর কোনও আইনগত ভিত্তি নেই। দীর্ঘদিন যাবত মামলার তদন্ত হয় না, হলেও ধীরগতি, মাইনোরিটিদের নিরাপত্তার কোনো ব্যবস্থা নেই। বর্তমানে ঘরের ভেতর আলোচনা করলেও অনুমতি নিতে হয়। ৫৭ ধারার মতো আইন এবং এর বৈষম্যমূলক ব্যবহার এবং দ্রুত রেসপন্স এর অভাব। এসব কারণে আইনের শাসন ব্যহত হচ্ছে।’

মন্তব্য

মতামত দিন

জাতীয় পাতার আরো খবর

ডিএনসিসি’র মেয়র ও নতুন ৩৬ ওয়ার্ডে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত রবিবার

ঢাকা: ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র পদে উপ-নির্বাচনের সঙ্গে এ সিটির নতুন ১৮টি ওয়ার্ড এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি . . . বিস্তারিত

এই ছবি দেখেই কি আত্মসমর্পণ করেছিলেন নিয়াজী?

নিউজ ডেস্কআরটিএনএনঢাকা: ১৯৭১-এর যুদ্ধের সময়ে ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল মানেকশ-র দপ্তরে তখন জনসংযোগ আধিকারিক হিসাবে কাজ . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com