কোন রাজনৈতিক দলের কাছে মাথানত করবো না: নুরুল হুদা

১৭ ফেব্রুয়ারি,২০১৭

নিউজ ডেস্ক
আরটিএনএন
ঢাকা: কাজী রকিবুদ্দিন আহম্মেদের নেতৃতাধীন নির্বাচন কমিশন মেয়াদ শেষ করলেও সামালোচনার মাধ্যমেই তাদের বিদায় নিতে হয়েছে। সেই কমিশন বিভিন্ন সময় সরকারের চাপ সামলাতে ব্যর্থ হয়েছে আর সেটাই ছিল তাদের বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ। এখন বর্তমান নতুন নির্বাচন কমিশন সরকারের চাপের কাছে কতটা শক্ত অবস্থান নিতে পারবে সেই প্রশ্ন উঠছে।

শুক্রবার সকালে এক সাক্ষাতকারে নতুন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে.এম নুরুল হুদা বলেন, তার নেতৃত্বাধীন কমিশন সরকারের যেকোন চাপ মোকাবেলায় জন্য প্রস্তত রয়েছেন। বিরোধী দল বিএনপি তার বিরুদ্ধে যে নানা অভিযোগ তুলছে সেটা রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে তাদের কাজ করার ক্ষেত্রে কোন বাধাই সৃষ্টি করবে না।

দায়িত্ব নেওয়ার পরে কে.এম নুরুল হুদা বলেন, সরকারের যেকোন চাপ মোকাবেলায় আমরা প্রস্তুত রয়েছি। আমার কি করবো তা জনগণের সামনে বলে লাভ নেই। আমাদের মোকাবেলা করতে হবে সরকারের সাথে এবং তখন আমরা যদি তাদের চাপের কাছে নত স্বীকার না করি তাহলেই তো সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব।

এদিকে বিএনপি বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার নুরুল হুদার বিরুদ্ধে ছাত্র জীবনের ক্ষমতাসীন দলের সহযোগি সংগঠন ছাত্রলীগের সাথে জড়িত থাকাসহ নানা অভিযোগ আনায় আগামী নির্বাচনে পরিচালনায় কোনো সমস্যা আসবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে নুরুল হুদা বলেন, কোন বাধা হবে বলে আমি মনে করি না। বরং আমি মনে করি তাদের সাথে আমাদের কাজ করতে আরো সুবিধা হবে।

কারণ, আমাদের স্বচ্ছতা নিরপেক্ষতা এবং সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করবো। সেখানে কারো সাথে কোন আপোস করবো না এবং কোন রাজনৈতিক দলের কাছে মাথানত করবো না এবং কোন চাপের সম্মুখিন হবো না। আর এটা যদি আমার সঠিক ভাবে করতে পারি তালে আমি বিশ্বাস করি যে, বিএনপি কেন সব রাজনৈতিক দলই আমাদের সাহাযোগিতা করবে।

এদিকে ১৯৯৬ সালে বিএনপি নেতৃত্বধীন সরকারের বিরুদ্ধে আওয়ামীলীগের আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে জনতার মঞ্চে সরকারি কর্মকর্তাদের অনেকেই যোগ দিয়েছিলেন। নতুন প্রধান নির্বাচন কমিশন নুরুল হুদার বিরুদ্ধে সেই জনতার মঞ্চেও যোগ দেওয়ার কথা অভিযোগ তোলা হয়েছে। তবে তিনি এই অভিযোগ নাকোচ করে দিয়েছেন।

এমন অভিযোগে তিনি বলেন, আমি বারবার বলেছি যে, আমি কখনই জনতার মঞ্চে ছিলাম না। কারণ আমি তখন কুমিল্লায় জেলা প্রশাসক ছিলাম। আর তখন জনতার মঞ্চ ছিল ঢাকায়। সুতরাং কুমিল্লা থেকে ঢাকার জনতার মঞ্চে যোগ দেওয়াতো সম্ভব ছিল না।

তিনি মনে করেন. দলগুলো সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে প্রতিযোগিতামূলক একটি নির্বাচন হলে কোন ধরনের সহিংসতা হয় না এবং নির্বাচন নিয়েও কোন প্রশ্ন ওঠে না। তাই নির্বাচন চলাকালীন সময়ে প্রশাসনের ওপর আস্থাও রাখতে হবে।

এছাড়াও তিনি বলেন, সব রাজনৈতিক দলগুলোর আস্থা অর্জনের জন্য এখন তারা অল্প সময়ের মধ্যে কমিশন বৈঠক করে পরিকল্পনা ঠিত করবেন।

সূত্র: বিবিসি

মন্তব্য

মতামত দিন

জাতীয় পাতার আরো খবর

বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন পোপ

নিউজ ডেস্কআরটিএনএনঢাকা: আগামী সপ্তাহে বাংলাদেশ সফরকালে ঢাকায় রোহিঙ্গা মুসলমানদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন পোপ ফ্রান্সিস। ভ্ . . . বিস্তারিত

ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি শপথ পড়াতে পারবেন: আইনমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: আপিল বিভাগ নতুন বিচারপতি নিয়োগপ্রাপ্ত হলে সংবিধানের ৯৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত প্রধান . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান, গোলাম রসুল প্লাজা (তৃতীয় তলা), ৪০৪ দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০।
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com