রোহিঙ্গা সমস্যার সুরাহা না করেই উড়ে গেলেন সু চির দূত

১২ জানুয়ারি,২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক

আরটিএনএন

ঢাকা: মায়ানমারের রাখাইন রাজ্যে দেশটির সেনা বাহিনী কতৃক ধর্ষণ, গণহত্যা অগ্নি সংযোগের ঘটনায় বাংলাদেশে প্রবেশ করা লক্ষাধিক রোহিঙ্গা শরণার্থীর বিষয়ে কোনো সুরাহা না করেই বাংলাদেশ থেকে ফিরে গেলেন দেশটির স্টেট কাউন্সেলর অং সান সু চির বিশেষ দূত ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কিয়াও থিন।


বুধবার অনুষ্ঠিত দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বিশেষ দূত শুধু বাংলাদেশের কথা শুনেই গেলেন, কিন্তু কোনো প্রতিশ্রুতিও দিলেন না বা দায় নেয়ার কথাও বললেন না। রাষ্ট্রীয় অতিথিভবন পদ্মায় অনুষ্ঠিত বৈঠক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।


মায়নমারে সাম্প্রতিক মুসলিম নিধনযজ্ঞে এ পর্যন্ত যে ৬৫ হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে, তাদের ফিরিয়ে নেয়ার প্রস্তাব দেয়া হয় মায়ানমার দূতের কাছে। জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোতে বাংলাদেশে প্রবেশ করা শরণার্থীর সংখ্যা ৬৫ হাজার মানতেও অস্বীকৃতি জানায় মায়ানমার।


রোহিঙ্গাদের ওপর মায়ানমার সেনা বাহিনীর অত্যাচারের বিষয়টিও এড়িয়ে যান বিশেষ দূত। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রচারিত রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনের বিষয়টিও মানতে চাননি তিনি। বাংলাদেশ সফররত মিয়ানমারের বিশেষ দূত কিয়াও থিন এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী ও পররাষ্ট্র সচিব শহীদুলের হকের মধ্যে কয়েক ঘণ্টা রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।


এদিকে বৈঠকে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে মায়ানমারকে সহযোগিতা দেয়ার আশ্বাস পুনর্ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ। পাশাপাশি রাখাইন রাজ্যে শান্তি ফিরিয়ে আনতে আহ্বান জানানো হয়। বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের ফেরত নেয়া শুরু করতে মায়ানমার দূতের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। এছাড়া নতুন করে আর কোনো রোহিঙ্গা যেন বাংলাদেশে না আসে সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলা হয়।


কূটনৈতিক সূত্রের মতে, রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে এই মুহূর্তে মায়ানমার আন্তর্জাতিক চাপে পড়ে বাংলাদেশের বিশেষ দূত পাঠিয়েছে। কারণ, আগামী ১৯ জানুয়ারি মালয়েশিয়ায় রোহিঙ্গা ইস্যুতে ওআইসির পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক আছে এবং সেখানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলীরও যাওয়ার কথা রয়েছে।


এ কারণেই ওই বৈঠকের আগেই বাংলাদেশের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করছে মায়ানমার। এছাড়া মায়ানমার সরকার আন্তর্জাতিক মহলকে দেখাতে চায়, তারা বাংলাদেশের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে এবং তারা দেখাতে চায়, তাদের উদ্দেশ্য ভালো এবং তারা রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান চায়।

মন্তব্য

মতামত দিন

জাতীয় পাতার আরো খবর

রমজানে রাজধানীতে তিন স্তরের নিরাপত্তা

নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: রমজানে শুরু থেকে তিন স্তুরের নিরাপত্তা বলয়ে থাকবে রাজধানী। এ ধাপগুলো হলো সকাল থেকে ইফতার প . . . বিস্তারিত

রমজানে যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় সতর্ক থাকবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক আরটিএনএনঢাকা: পবিত্র রমজান মাসে যে কোনো অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকারের উচ্চপর্যায়ের নির্দেশে সতর্ক থা . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান, গোলাম রসুল প্লাজা (তৃতীয় তলা), ৪০৪ দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০।
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com