ব্রেকিং সংবাদ: |
  • আমি নিজ থেকে শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব নিতে পারি না: মাহাথির
  • বিএনপি নির্বাচন বয়কট করেছে বলে গণতন্ত্র বন্ধ থাকেনি: কাদের
  • মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আসুন ঐক্যবদ্ধ হই: ফখরুল

ঢাকা হবে ‘হালাল পর্যটনের’ শহর, এর অর্থ কী?

০৬ ফেব্রুয়ারি,২০১৮

ঢাকা হবে ‘হালাল পর্যটনের’ শহর, এর অর্থ কী?

নিউজ ডেস্ক
আরটিএনএন
ঢাকা: ইসলামিক ট্যুরিজমের উপর গুরুত্ব দিতে ঢাকায় ওআইসি-ভূক্ত ২৫টি দেশের পর্যটন মন্ত্রীরা এক সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মঙ্গলবার এই সম্মেলন উদ্বোধন করেছেন। এ সম্মেলনে ঢাকা শহরকে ইসলামিক ট্যুরিজম সিটি ঘোষণা করা হবে।

বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের চেয়ারম্যান মোঃ নাসির উদ্দিন বলেন, ‘আমাদের এখানে অনেকগুলো বিষয় নিয়ে আলাপ-আলোচনা হচ্ছে। হালাল ট্যুরিজম ক্ষুদ্র একটি পার্ট।’ খবর বিবিসির

তিনি জানান, মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ হিসেবে বাংলাদেশে সবকিছু হালাল, সে বিষয়টি জোরালো-ভাবে তুলে ধরা হবে।

আরব দেশগুলোর সাথে সহযোগিতার মাধ্যমে যাতে হালাল পর্যটনকে এগিয়ে নেয়া যায় সে বিষয়টি আলোচনা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

মো: নাসির উদ্দিন বলেন, হালাল ট্যুরিজমের প্রধান বিষয়টি হচ্ছে খাবার।

কিন্তু পর্যটনের ক্ষেত্রে খাবার কতটা গুরুত্বপূর্ণ?

তিনি বলেন, ‘সবকিছু মিলেই ট্যুরিজম। এর মধ্যে খাবার, স্থান এবং মানুষ সবকিছুই অন্তর্ভুক্ত।’

বাংলাদেশে যেসব পর্যটক আসে তাদের বেশিরভাগই ইউরোপ থেকে।

ইসলামিক ট্যুরিজম কিংবা হালাল ট্যুরিজমের মাধ্যমে ইউরোপের পর্যটকদের প্রতি গুরুত্ব দেয়া হবে কিনা সে প্রশ্ন উঠছে।

ট্যুরিজম বোর্ডের চেয়ারম্যান বলেন, যেহেতু এটি ওআইসি দেশগুলোর সম্মেলন সেজন্য হালাল ট্যুরিজমের বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।

২০১৯ সালের জন্য ঢাকা শহরকে ‘ওআইসি সিটি অব ট্যুরিজম’ হিসেবে ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে তিনি জানান।

এছাড়া পর্যটন খাতের জন্য একটি ট্রেনিং সেন্টার স্থাপনের প্রস্তাব করেছে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশর ৮৮টি স্থানে ইসলামিক ঐতিহ্য এবং স্থাপনা সংরক্ষণের জন্য ১৩০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প প্রস্তাব করেছে।

বাংলাদেশ আশা করছে ওআইসির কাছ থেকে এ বিষয়ে অর্থ সহায়তা পাবে।

চালের দাম সহনীয়: অর্থমন্ত্রী
বাজারে চালের দাম সহনীয় এবং যৌক্তিক পর্যায়ে রয়েছে বলে মনে করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

শুক্রবার নিরাপদ খাদ্য দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। রাজধানীর ওসমানী মিলনায়তনে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

তিনি বলেন, ‘পর্যবেক্ষণেই বলছে ৪০ টাকার মতো দাম হলে সেটা হচ্ছে আমাদের জন্য সহনীয়।’

‘নিরাপদ খাদ্যে ভরবো দেশ, সবাই মিলে গড়বো সোনার বাংলাদেশ’- এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দেশব্যাপী পালিত হল নিরাপদ খাদ্য দিবস।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘এ দেশের প্রতিটি লোক খাদ্য উৎপাদন করে ঠিক তেমনি বাজার থেকেও খাদ্য খরিদ করে। সেই পর্যবেক্ষণেই বলছে ৪০ টাকার মতো দাম হলে সেটার হচ্ছে আমাদের জন্য সহনীয়।’

অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, ‘খাদ্য নিরাপত্তা শুধু নিজের নিরাপত্তা দিয়ে হয় না, কারণ বিশ্বব্যাপী তা খাদ্যবাণিজ্যের অন্তর্ভূক্ত। সুতরাং সেখান থেকেও আমাদের যথেষ্ট সুযোগ আছে আমাদের অভাব মেটানোর জন্য।’

অনুষ্ঠানে কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেন, ‘প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে যে খাদ্য ঘাটতির সৃষ্টি হয়েছিল, উৎপাদনে ব্যাঘাত হয়েছিল; সেটাকে পূরণ করার জন্য আমরা আমদানির দিকে গেছি।’

কৃষিমন্ত্রীর মতে, বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে খাদ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে।

মতিয়া বলেন, ‘আমরা দেশের মানুষকে খাইয়েছি, ১০ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে খাওয়াচ্ছি। এটাই বাস্তবতা। কোনো খাদ্য সংকট নেই।’

এর আগে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) এর মতে, ২০১৭ সাল ছিল ব্যাংক খাতের কেলেঙ্কারির বছর। এবিষয়ে সাংবাদিকেরা অর্থমন্ত্রীর কাছে বিশদভাবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘নো নো নো, অল রাবিশ।’ ব্যাংকিং খাত নিয়ে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ-সিপিডির বক্তব্যকে জাস্ট রাবিশ বলেও মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

সচিবালয়ে মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এমসিসিআই) সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এমন মন্তব্য করেন অর্থমন্ত্রী। এমসিসিআইয়ের সভাপতি নিহাদ কবিরের নেতৃত্বে একটি দল আজ সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন।

গত শনিবার ‘বাংলাদেশ অর্থনীতি ২০১৭-২০১৮: প্রথম অন্তর্বর্তীকালীন পর্যালোচনা’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরে সিপিডি। সিপিডি বলেছে, ব্যাংক খাতের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের নজর দারির ঘাটতি আছে—এর জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) বাংলাদেশকে টেনে নামানোর চেষ্টা করছে।

সিপিডি আরও জানায়, ঋণ লোপাট, ব্যাংকের মালিকানাধীনসহ নানা কারণেই ২০১৭ সাল ছিল ব্যাংকিং খাতের কেলেঙ্কারির বছর। ২০১৮ সালেও নাজুক পরিস্থিতি থেকে উত্তোরণের সুযোগ নেই। কারণ ব্যাংক কোম্পানি আইন সংশোধন করে মালিকদের পারিবারিক নিয়ন্ত্রণ আরও বাড়ানোর সুযোগ করে দিয়েছে সরকার।

সিপিডির এই মন্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘কই, অত বড় কেলেঙ্কারি (হলমার্ক) হয়ে গেল, তখন তো তারা কিছু বলেনি।’

অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, ‘আই হ্যাভ নো কমেন্ট। বাংলাদেশ যে এত সব অর্জন করেছে, এই ব্যাপারে কখনোই সিপিডি কোনো রিকগনাইজ করেনি।’ আগামী অর্থবছরে ভ্যাটের হার আলাদা হবে বলে জানান তিনি।

সিপিডির গবেষক তৌফিকুল ইসলাম খান সংবাদ সম্মেলনে বলেন, যারা একেবারে গরীব আছেন, তারা আরও গরীব হয়ে যাচ্ছেন বলে আমরা লক্ষ্য করছি। উল্টো দিকে ধনীরা আরও সম্পদের মালিক হচ্ছেন।

এর জবাবে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, ২০২৪ সালে দেশে কোনো দরিদ্র মানুষ থাকবে না। ‘হয় তো আগামী বাজেটই আমার শেষ বাজেট’ বলে মন্তব্য করেন তিনি।

উল্লেখ্য, গত শনিবার সংবাদ সম্মেলনে চলতি অর্থ বছরের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সিপিডি জানায়, ধারাবাহিকভাবে ভালো প্রবৃদ্ধি হলেও দারিদ্র বিমোচন কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় হয়নি। বরং আয় বৈষম্য বেড়েছে।

মন্তব্য

মতামত দিন

অর্থনীতি পাতার আরো খবর

বাংলাদেশ থেকে ভারতে জ্বালানি তেল পাচার হঠাৎ বাড়লো কেন?

নিউজ ডেস্কআরটিএনএনঢাকা: ভারতে জ্বালানি তেলের দাম সর্বকালীন রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছনোর পর প্রতিবেশী বাংলাদেশের সঙ্গে তাদের ড . . . বিস্তারিত

ঈদের বাজারে জাল টাকা চেনার উপায়

নিউজ ডেস্কআরটিএনএনঢাকা: বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে সমস্ত ব্যাংকগুলোর ওপর জারী করা কেন্দ্র এক নির্দেশনায় ব . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com