‘সত্যের ইতিহাস ম্লানের চেষ্টা করেছিলেন জিয়া-খালেদা’

৩১ ডিসেম্বর,২০১৭

‘সত্যের ইতিহাস ম্লানের চেষ্টা করেছিলেন জিয়া-খালেদা’

নিজস্ব প্রতিবেদক
আরটিএনএন
ঢাকা: ৭ মার্চের ভাষণ সম্পর্কে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, সত্যের ইতিহাসকে ম্লান করার চেষ্টা করেছিল স্বৈরশাসক জিয়াউর রহমান এবং পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়া। ৭ মার্চের ভাষণ উচ্চারণ করতে দিতে চায়নি। আমাদের মাইক কেড়ে নেয়া হতো। সেই ভাষণ আজকে বিশ্বস্বীকৃত হয়েছে। ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ হিসেবে গণ্য হয়েছে।

তিনি রাজধানীর শেরেবাংলানগরে মেলার উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন।

২০২০ সাল থেকে পূর্বাচলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা হবে ঘোষণা করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, প্রতিবারের মতো এবারও নতুন আঙ্গিকে মেলা চত্বর সাজানো হয়েছে। পদ্মা সেতুর আদলে মূল ফটক নির্মাণ করা হয়েছে। গত বছরের তুলনায় এ বছর বঙ্গবন্ধু প্যাভিলিয়ন আকারে দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ ভাষণকে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যের প্রামাণ্য দলিল হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ায় এ প্যাভিলিয়নটি নান্দনিক করে সাজানো হয়েছে, যাতে নতুন প্রজন্ম, দেশি-বিদেশি সকলে দেশ ও বঙ্গবন্ধুর সত্যিকার ইতিহাস জানতে পারে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সত্যের এই ইতিহাসকে ম্লান করার চেষ্টা করেছিল স্বৈরশাসক জিয়াউর রহমান এবং পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়া। ৭ মার্চের ভাষণ উচ্চারণ করতে দিতে চায়নি। আমাদের মাইক কেড়ে নেয়া হতো। সেই ভাষণ আজকে বিশ্বস্বীকৃত হয়েছে। ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ হিসেবে গণ্য হয়েছে।

তিনি বিশ্বের বিভিন্ন উন্নয়নশীল দেশের উদাহরণ দিয়ে বলেন, ক্ষমতাসীন দলের অধীনেই এবারের নির্বাচন হবে। নির্বাচন কমিশনার নির্বাচন পরিচালনা করবেন। সুতরাং আশা করব বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেবেন এবং একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, কারো জন্য অপেক্ষা নয়, সংবিধান অনুসারে নির্বাচন হবে।
আগামীকাল বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের পশ্চিম পাশের মাঠে এ মেলার উদ্বোধন করা হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ মেলার উদ্বোধন করবেন।

কাল থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত এ মেলা উন্মুক্ত থাকবে। প্রবেশ টিকিটের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে যথাক্রমে প্রাপ্ত বয়স্ক ৩০ টাকা এবং অপ্রাপ্ত বয়স্ত ২০ টাকা।

এবার ৫৮৯টি বিভিন্ন ক্যাটাগরির প্যাভিলিয়ন ও স্টল নিয়ে মেলা প্রাঙ্গণ সাজানো হয়েছে। থাইল্যান্ড, ইরান, তুরস্ক, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, নেপাল, চীন, মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ভারত, পাকিস্তান, হংকং, সিঙ্গাপুর, মরিশাস ও দক্ষিণ কোরিয়ার ৪৩টি প্রতিষ্ঠান এতে অংশ নিচ্ছে।

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার উল্লেখযোগ্য সংযোজন ডিজিটাল প্রযুক্তি নির্ভর তথ্য কেন্দ্র। রপ্তানির টেকসই উন্নয়ন টেকনোলজি স্লোগানকে সামনে রেখে এখানে টাচ-স্ক্রীন সম্বলিত ডিআইটিএফ এক্সপেরিয়েন্স সেন্টার, ই-লিস্টিং অব পার্টিসিপেন্টস, মেলার বিভিন্ন অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার, মেলার ওপর মোবাইল অ্যাপস এবং অনলাইনে ডিজিটাল প্রচারণা করা হয়েছে। মেলায় ১০০টি সিসিটিভি স্থাপন করা হয়েছে। প্রয়োজনে বৃদ্ধি করা হবে।

এছাড়া বাণিজ্য মেলাকে পর্যায়ক্রমে ৩৬০ ডিগ্রি ভার্চুয়াল ট্যুর-এর আওতায় আনার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

মন্তব্য

মতামত দিন

অর্থনীতি পাতার আরো খবর

ইসলামী বন্ড চালু করার ইঙ্গিত দিয়েছে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: বাংলাদেশে শরিয়াভিত্তিক ইসলামী বন্ড চালুর বিষয়ে চিন্তা-ভাবনা করছে সরকার। প্রস্তাবিত বাজেটও . . . বিস্তারিত

বাজেট পাসের আগেই চালের দাম কেজি প্রতি ৫ টাকা বৃদ্ধি

নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: আসছে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটে চাল আমদানির ওপর ২৮ শতাংশ শুল্ক পুনর্বহাল করা . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com