তুর্কি অ্যাটাকিং ড্রোন ও হেলিকপ্টার কিনতে চায় ঢাকা

১০ নভেম্বর,২০১৭

তুর্কি অ্যাটাকিং ড্রোন ও হেলিকপ্টার কিনতে চায় ঢাকা

নিউজ ডেস্ক
আরটিএনএন
ঢাকা: তুরস্কের কাছ থেকে অ্যাটাকিং ড্রোন ও হেলিকপ্টার কিনতে চায় বাংলাদেশ। এমন সংবাদ দিয়েছে তুর্কি সংবাদ মাধ্যম হুররিয়েত। আকাশ প্রতিরক্ষা বিষয়ক বাজার হিসেবে আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোকে সবচেয়ে সম্ভাবনাময় বাজার বলে গণ্য করা হয়।

এজন্য পাকিস্তান, বাংলাদেশ, মালয়েশিয়া ইন্দোনেশিয়া ইত্যাদি দেশে সমর সরঞ্জাম বিক্রিতে আগ্রহী তুরস্কও। এদিকে পাকিস্তান সরকার ইতিমধ্যে ৩০টি এএনকেএ হেলিকপ্টার কেনার ব্যাপারে আলোচনা শুরু করে দিয়েছে।

এশিয়া অঞ্চলের মধ্যে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন ও ভিয়েতনাম, সিঙ্গাপুরেও এ অত্যাধুনিক হেলিকপ্টার সরবরাহের বিষয়ে তাদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন টিএআইয়ের জেনারেল ম্যানেজার তেমেল কোটিল।

টার্কিশ এক্সপোর্টার্স অ্যাসেম্বলি (টিআইএম)-এ তথ্যানুসারে, গত ছয় বছর ধরে টিএআই দেশটির প্রতিরক্ষা ও এভিয়েশন শিল্পে শীর্ষে রয়েছে। তুরস্কের বিমান ও প্রতিরক্ষা শিল্প সংস্থাগুলো এ বছরের প্রথম ৮ মাসে বিশ্বব্যাপী ১.০৭ বিলিয়ন ডলারের সামগ্রী রফতানি করেছে। যা গত বছরের তুলনায় বেশি।

প্রসঙ্গত, তুরস্কের সামরিক বাহিনীর জন্য ২২টি প্রকল্প চূড়ান্ত করেছে দেশটির প্রতিরক্ষা বিভাগ। বিভিন্ন ধরণের সামরিক সরঞ্জামাদির জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

বাংলাদেশ সরকারের প্রশংসা করলেন তুরস্কের উপ-প্রধানমন্ত্রী

মায়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ায় বাংলাদেশ সরকারের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন তুরস্কের উপ-প্রধানমন্ত্রী বাকির বোজদাগ।

তুরস্কে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম আল্লামা সিদ্দিকী শুক্রবার তুরস্কের উপ-প্রধানমন্ত্রী বাকির বোজদাগের সঙ্গে তার কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ প্রশংসা করেন।

বৈঠকে বাকির বোজদাগ রোহিঙ্গা সংকটের বর্তমান পরিস্থিতির বিষয়ে এম আল্লামা সিদ্দিকীর কাছে জানতে চান। রোহিঙ্গা সংকটের ঐতিহাসিক পটভূমির প্রতি আলোকপাত করে এম আল্লামা সিদ্দিকী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সরকার মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে ভিটেমাটি হারা দুর্দশাগ্রস্ত ও পীড়িত রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা ও আশ্রয়দানের জন্য সম্ভাব্য সর্বোচ্চ পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।

এরপর তুরস্কের উপ-প্রধানমন্ত্রী বাকির বোজদাগ রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশ সরকারের ভূয়সী প্রশংসা করে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি তুরস্কের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করেন।

এছাড়া ঘণ্টাব্যাপী আলোচনায় দু’দেশের মধ্যেকার দ্বি-পক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন বিষয়সহ রোহিঙ্গা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। বাকির বোজদাগ ও এম আল্লামা সিদ্দিকী বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে দ্বি-পক্ষীয় সম্পর্ক শক্তিশালী করার বিষয়ে আলোচনা করেন।

আঙ্কারায় যৌথ অর্থনৈতিক কমিশনের (জেইসি) পরবর্তী সভা এবং ঢাকায় মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) আলোচনার দ্বিতীয় বৈঠক অনুষ্ঠানের বিষয়ও আলোচিত হয়। জেইসির তুরস্কের প্রধান হিসেবে বাকির বোজদাগ আঙ্কারাতে যৌথ অর্থনৈতিক কমিশনের পরবর্তী সভা আয়োজনের বিষয়ে তার আন্তরিক আগ্রহ প্রকাশ করেন।

মন্তব্য

মতামত দিন

অর্থনীতি পাতার আরো খবর

শেখ হাসিনা গীতিকার আর প্রধান নির্বাচন কমিশনার কন্ঠশিল্পী: রিজভী

নিউজ ডেস্কআরটিএনএনঢাকা: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনা মোতায়েন নিয়ে সিইসি যে বক্তব্য দিয়েছে সেটাকে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম . . . বিস্তারিত

মাথাপিছু জাতীয় আয় এখন ১৬১০ মার্কিন ডলার

নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: প্রাক্কলিত সাময়িক হিসাব থেকে ৮ ডলার বেড়ে দেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় এখন ১৬১০ মার্কিন ডলারে উন . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান, গোলাম রসুল প্লাজা (তৃতীয় তলা), ৪০৪ দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০।
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com