ব্রেকিং সংবাদ: |
  • পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ারকে তারেক রহমানের লিগ্যাল নোটিশ
  • ‘তারেক বর্তমানে বাংলাদেশের নাগরিক নন’
  • কাবুলে ভোটার নিবন্ধনকেন্দ্রে হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬৩
  • ২৫ বছরের যুদ্ধে সোয়া কোটি মুসলিম নিহত, যা একটি বিশ্বযুদ্ধের সমান ক্ষয়ক্ষতি
  • খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে সপ্তাহব্যাপী বিএনপির নতুন কর্মসূচি ঘোষণা
  • ত্রিভুবন বিমানবন্দরের গাফিলতিই দুর্ঘটনার জন্য দায়ী: ইউএস-বাংলা
  • যে শর্তে গাজীপুর সিটি নির্বাচনে বিএনপিকে ছাড় দিল জামায়াত

কেজিতে চালের দাম দুই দফা ২০ টাকা বাড়লেও কমেছে ৫ টাকা

২৭ সেপ্টেম্বর,২০১৭

নিউজ ডেস্ক


আরটিএনএন


ঢাকা: কয়েকমাস ধরে ঊর্ধ্বমুখী চালের দাম নিয়ন্ত্রণ করতে সরকার বেশ কিছু উদ্যেগ নিয়েছে। আমদানি শুল্ক কমানো, মজুতদারি ঠেকাতে অভিযান, খোলা বাজারে চাল বিক্রি এতো কিছুর পরেও চালের দাম যেখানে দুই দফায় বেড়েছে কেজিতে ২০ টাকা সেখানে কমেছে ৫ টাকা।

রাজধানী ঢাকার কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, পাইকারির পর খুচরা বাজারেও চালের দাম কমতে শুরু করেছে। কিন্তু পাইকারিতে যে হারে কমেছে, খুচরা বাজারে দাম এখনো সেই হারে কমেনি। গত তিন দিনে পাইকারিতে মোটা চালের দাম কেজিপ্রতি ৫ টাকা কমলেও খুচরায় কমেছে মাত্র ২ টাকা।

মিনিকেট চাল পাইকারিতে প্রায় ৩ টাকা কমলেও খুচরায় কমেছে মাত্র ১ টাকা। এর কারণ হিসেবে খুচরা ব্যবসায়ীদের যুক্তি, দাম কমার আগে তারা অনেক চাল কিনে রেখেছিলেন। এ কারণে পাইকারি বাজারের মতো খুচরায় দাম ততটা কমেনি। বেশি দামে কেনা চাল কম দামে বিক্রি করা সম্ভব নয়। তা ছাড়া চালের দাম আবারো বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন অনেক বিক্রেতা। কাজেই মজুদ ধরে রাখতে অনেকে সাধ্যমতো চেষ্টা করছেন বলে জানা গেছে।

চালের বাজারে এমন অস্থিরতার জন্য সরকার দূরদর্শিতার অভাবকেই দায়ী করছেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম। তিনি বলেন, চাহিদা ও জোগান সম্পর্কে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সচেষ্ট ছিল না। সরকারের নিজস্ব মজুদ স্মরণকালের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এলেও তারা মজুদ বাড়ানোর জন্য সময়মতো কার্যকর উদ্যোগ নেয়নি। এরই মধ্যে বন্যায় ফসলহানি হয়েছে। সরকার সেটাও আমলে নেয়নি।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যানুযাযী, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে দেশে ৩ কোটি ৪৯ লাখ ৬৮ হাজার টন চাল উৎপাদিত হয়েছে; যা আগের বছরের চেয়ে ২ লাখ ৫৮ হাজার টন বেশি। চলতি অর্থবছরে উৎপাদনের লক্ষ্য ৩ কোটি ৫০ লাখ টন। হওরের পরিস্থিতি উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা পূরণে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে আশঙ্কা করেছিলেন সংশ্লিষ্টরা। অথচ আশঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম তখন দাবি করেন হাওর ডুবে গেলেও চালের কোনো ঘাটতি হবে না। তার দাবি ছিল, বাংলাদেশে বছরে ১৫ থেকে ২০ লাখ টন চাল উদ্বৃত্ত থাকে।

মন্তব্য

মতামত দিন

অর্থনীতি পাতার আরো খবর

রানা প্লাজা ট্র্যাজেডি: গার্মেন্ট ব্যবসায় কী পরিবর্তন হয়েছে?

নিউজ ডেস্কআরটিএনএনঢাকা: বিদেশি ক্রেতাদের চাহিদা মেনে কারখানার নিরাপত্তা ও পরিবেশ উন্নয়নে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ায় রানা প্ল . . . বিস্তারিত

পোশাক খাতে শ্রমিক অসন্তোষ কি কমেছে?

নিউজ ডেস্কআরটিএনএনঢাকা: রানা প্লাজা ধসের আগের দিনই সে ভবনটিতে ফাটলের বিষয়টি নজরে এসেছিল সবার। এনিয়ে একটি বেসরকারি টেলি . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com