নেতাকর্মীদের পুর্নবাসন চান খন্দকার মোশাররফ

০৮ ফেব্রুয়ারি,২০১৯

নেতাকর্মীদের পুর্নবাসন চান খন্দকার মোশাররফ

নিজস্ব প্রতিবেদক
আরটিএনএন
ঢাকা: বিগত দিনে দলের যারা নির্যাতিত হয়েছেন তাদের পাশে দলের নেতারা এবং যারা নির্বাচনে প্রার্থীদের দাঁড়াতে হবে তাদের পুর্নবাসন হলেই আগামী দিনে আন্দোলন করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। তিনি বলেন, আমাদের ঘুরে দাঁড়াতে হবে। এই জন্য দলে পুনর্বাসন করতে হবে।

আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটশন মিলনায়তনে এক প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

পুর্ব ঘোষিত সারাদেশে গণতন্ত্রের মা বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি এবং দেশব্যাপী বিএনপির বন্দী নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবিতে’ বিএনপি এ প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করে।

ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, দেশের ৮০ ভাগ মানুষ ধানের শীষের ভোট দেয়ার জন্য প্রস্তত ছিল। এটা সরকারের কাছে গোপন থাকেনি। তাই ২৯ তারিখ সরকার ভোট সম্পুন্ন করেছিল। ৩০ তারিখ এ দেশে কোনো ভোট হয়নি। ২৯ তারিখ ভোট হয়েছে, এটা আমেরিকার প্রসিডেন্টসহ দেশি-বিদেশি সবাই জানে।

তিনি বলেন, ঐক্যবদ্ধ ও সু-সাহস নিয়ে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে আমরা ঘুরে দাঁড়াবো। এই জন্য সংগঠনগুলোকে শক্তিশালী করতে হবে।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতাদের বাইরে রেখে মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়েছে। আর দেশে কোনো ভোট হয়নি। এই দুটি অস্বাভাবিক ঘটনার ফলে সরকার বেশি দিন টিকে থাকতে পারবে না।

তিনি বলেন, ধানের শীষে ভোট দিতে পারলে এত দিনে খালেদা জিয়া মুক্ত হতেন। সরকার জানে দিনের বেলায় ভোট হলে আওয়ামী লীগ জয়ী হতে পারবে না। তাই তারা রাতের বেলায় ভোট করছে। খালেদা জিয়াকে বেশি দিন আটকে রাখা যাবে না।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান সভাপতির বক্তব্যে বলেন, এক বছরে আমরা খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে পারিনি। আমরা ব্যর্থ। এর থেকে আমাদের বের হয়ে আসতে হবে। নেত্রী আমাদের দিকে তাকিয়ে আছেন।

তিনি বলেন, আসছে আন্দোলন সংগ্রামে বিএনপিকে নেতৃত্ব দিতে হবে। অঙ্গ সংগঠনগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে। আইনী প্রক্রিয়ায় খালেদা জিয়ার মুক্তি হবে না। দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। নিজেরা বাঁচতে চাইলেও আন্দোলন করতে হবে।’

প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য দেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটি সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ড. আবদুল মঈন খান, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা: জাফরুল্লাহ চৌধুরী, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, ডা: এ জেড এম জাহিদ হোসেন, আহমেদ আজম খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম আতাউর রহমান ঢালী, আবুল খায়ের ভূঁইয়া, যুগ্ম-মহাসচিব মাহবুব উদ্দীন খোকন, মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, স্বেচ্ছাসেব দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েল, শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক নাসিম হোসাইন, মহিলা দলের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক হেলেন জেরিন খান, ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এমরান সালেহ প্রিন্স, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবি এম মোশাররফ হোসেন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত প্রমুখ।

মন্তব্য

মতামত দিন

রাজনীতি পাতার আরো খবর

জামায়াতে ইসলামীকে কতটা নাড়া দিতে পেরেছেন ব্যারিস্টার রাজ্জাক

নিউজ ডেস্কআরটিএনএনঢাকা: জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র বিবিসিকে বলেছেন ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাকে . . . বিস্তারিত

মজিবুর রহমানকে জামায়াত থেকে বহিষ্কার

নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: ইসলামী ছাত্রশিবিবের সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য মজ . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com