ফের বিএনপির পুর্নগঠন দাবি মওদুদের

০৮ ফেব্রুয়ারি,২০১৯

ফের বিএনপির পুর্নগঠন দাবি মওদুদের

নিজস্ব প্রতিবেদক
আরটিএনএন
ঢাকা: খুব দ্রুত বিএনপিকে পুনর্গঠন ও পুনর্বাসন করতে পারলেই দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে আনা সম্ভব হবে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। তিনি বলেন, এখন কেবল আন্দোলনের মাধ্যমে নেত্রীকে মুক্তি করা সম্ভব।

আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটশনে এক প্রতিবাদ সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ কারাবন্দি নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবিতে দেশব্যাপী এই প্রতিবাদ সভা করে বিএনপি।

এর আগে ভোটের দুইদিন পরেই বিএনপি শীর্ষ নেতাদের পদ থেকে সরে বিএনপি পুর্নগঠনের দাবি করেন এই নেতা।

মওদুদ আহমেদ বলেন, তৃণমূল থেকে পুনর্গঠন কতে হবে। যেসব নেতাকর্মী খালেদা জিয়ার জন্য সংগ্রাম করেছেন, তাদের দলের উপরের সারিতে পদ দিতে হবে।

তিনি বলেন, আইনি প্রক্রিয়ায় খালেদা জিয়ার মুক্তি আর হবে না। আমাদের সামনে আন্দোলনের বিকল্প নেই। সুতরাং সবাই আন্দোলনের প্রস্তুতি নিন।

মওদুদ বলেন, সংলাপে আমাদের একটি দাবিও মানা হয়নি। তারপরও আমরা কেন নির্বাচনে গিয়েছিলাম? কারণ, আমাদের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ৭৮ হাজার মামলা দেয়া হয়েছে। তারা পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। অন্তত ভোটের মাধ্যমে হলেও তারা সবাই রাজনীতিতে আসতে পারবেন।

তিনি বলেন, দুটি কারণে আমরা নির্বাচনে গিয়েছিলাম। এক, আশা ছিল, মানুষ ভোট দিতে পারলে আমরা বিজয়ী হব। দুই, বিজয়ী হলে সেদিন আমাদের নেত্রীকে মুক্তি দিতে বাধ্য হবে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, আন্দোলনের অংশ হিসেবে নির্বাচনে গিয়েছিলাম। কিন্তু, কিছুই করতে পারিনি। আন্দোলন করতে হলে সংগঠন লাগে। বিগত ১০ বছর অনেক কর্মসূচি দেয়া হয়েছে। কিন্তু, কি দেখলাম? মনে হয় কিছুই করা হয়নি।

তিনি বিগত নির্বাচনে যারা প্রার্থী হয়েছিলেন, তাদের বিভিন্ন মামলায় ক্ষতিগ্রস্ত দলের নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

সাবেক এই আইনমন্ত্রী বলেনম সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন মামলায় সরকারের কূটকৌশলে খালেদা জিয়াকে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। রেওয়াজ অনুযায়ী, এ ধরনের মামলায় আপিলের ফাইল সাবমিট করলেই তা মঞ্জুর হওয়ার কথা। আমরাও ভেবেছিলাম, এক সপ্তাহেই জামিনে তিনি মুক্ত হয়ে যাবেন। কিন্তু, শুনানির সময় পিছিয়ে জামিন না দিতে তার বিরুদ্ধে আরও দুটি মানহানি মামলা দিয়েছে সরকার।

প্রতিবাদ সভায় স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেন, এক বছর হলো রাজনৈতিক মামলায় খালেদা জিয়াকে বন্দি করে রাখা হয়েছে। তাকে আইনি প্রক্রিয়ায় মুক্ত করা যাবে বলে মনে হয় না। আমরা আমাদের নেত্রীকে রাজনৈতিকভাবেই মুক্ত করে আনব।

তিনি বলেন, কারাগারে থেকে আজ গণতন্ত্রের জন্য তিনি (খালেদা জিয়া) মূল্য দিচ্ছেন। তাই আমাদের রাজপথে আন্দোলন করে দেশনেত্রীকে মুক্ত করতে হবে। সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন। এতে বক্তব্য রাখেন, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান এজেডএম জাহিদ হোসেন, আহমদ আজম খান, আব্দুল মান্নান, শামসুজ্জামান দুদু, বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, সহ-প্রচার সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলিম প্রমুখ।

মন্তব্য

মতামত দিন

রাজনীতি পাতার আরো খবর

জামায়াতে ইসলামীকে কতটা নাড়া দিতে পেরেছেন ব্যারিস্টার রাজ্জাক

নিউজ ডেস্কআরটিএনএনঢাকা: জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র বিবিসিকে বলেছেন ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাকে . . . বিস্তারিত

মজিবুর রহমানকে জামায়াত থেকে বহিষ্কার

নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: ইসলামী ছাত্রশিবিবের সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য মজ . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com