জামায়াতকে নিষিদ্ধই করতে চান শেখ হাসিনা, কিন্তু সরকারের মধ্যেই দ্বিধা

১০ জানুয়ারি,২০১৯

জামায়াতকে নিষিদ্ধই করতে চান শেখ হাসিনা

নিউজ ডেস্ক
আরটিএনএন
ঢাকা: একাত্তরে স্বাধীনতার বিরোধিতা করার জন্য সংগঠন হিসাবে জামায়াতে ইসলামিকে নিষিদ্ধ করতে চায় শেখ হাসিনার সরকার।

বুধবার আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, ‘শেখ মুজিবুর রহমান ও কারাগারে চার জাতীয় নেতার হত্যার নেপথ্যে যাঁরা রয়েছেন, তাঁদেরও বিচারের আওতায় আনা হবে। এ জন্য বিশেষ কমিশন গঠন করা হচ্ছে।’ খবর আনন্দবাজারের।

প্রথম দফায় প্রধানমন্ত্রী হয়েই শেখ মুজিবের হত্যাকাণ্ডের বিচার করেছিলেন শেখ হাসিনা। ১৯৭৫-এর ১৫ অগস্টের অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের শাস্তিও হয়। এর পরে ২০০৮-এ নির্বাচনে জিতে ফের ক্ষমতায় এসে আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ আদালত গঠন করে একাত্তরে পাকিস্তানি বাহিনীর সহযোগী রাজাকার, আল শামস ও আল বদর নেতাদের কাঠগড়ায় তোলেন তিনি।

গণহত্যা ও মানবতা-বিরোধী অপরাধের জন্য স্বাধীনতা যুদ্ধের বিরোধিতাকারী জামায়াতে ইসলামির এক ঝাঁক নেতা ও বিএনপির কয়েক জন প্রভাবশালী নেতার ফাঁসি ও আমৃত্যু কারাদণ্ড কার্যকরও হয়েছে। স্বাধীনতার পরে জামায়াতকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। কিন্তু জেনারেল জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে জামাতকে রাজনীতিতে ফিরিয়ে আনেন।

পাকিস্তানে পালিয়ে যাওয়া জামায়াত নেতাদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনেন। স্বাধীনতার বিরোধিতা করে পাকিস্তানের পক্ষ নেওয়া জামায়াতে ইসলামিকে সংগঠন হিসাবে নিষিদ্ধ করার দাবি অনেক আগেই উঠেছে। রাজনৈতিক দল হিসাবে জামায়াতের রেজিস্ট্রেশন ইতিমধ্যেই বাতিল করেছে আদালত।

এ জন্য সাম্প্রতিক নির্বাচনে শরিক বিএনপির ‘ধানের শীষ’ প্রতীক নিয়ে লড়তে হয়েছে জামায়াতের প্রার্থীদের। কিন্তু জামায়াতকে নিষিদ্ধ করা নিয়ে সরকারের মধ্যেই দ্বিধা রয়েছে। কারও কারও যুক্তি, নিষিদ্ধ করা হলেচোখের আড়ালে গিয়ে কার্যকলাপ বাড়িয়ে তুলতে পারে জামায়াত।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আইন সংশোধন করে জামায়াতের বিচার করা হবে। বিলটি আইন মন্ত্রণালয়ে রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী সম্মতি দিলে সেটি মন্ত্রিপরিষদে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে।’

বাংলাদেশের নতুন সংসদের অধিবেশন শুরু হচ্ছে ৩০ জানুয়ারি। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভা ইতিমধ্যেই শপথ নিয়েছে। ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচনের দিন ৩টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত হওয়ায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের গণনা বন্ধ ছিল। বুধবার আসনটির ওই ৩ কেন্দ্রে ফের ভোটের পরে এ দিন ফল ঘোষণা হয়। বিএনপি প্রার্থী আব্দুস ছাত্তার ভুঁইয়া আসনটি জেতায় সংসদে দলটির সদস্য সংখ্যা বেড়ে হল ৬। শরিক গণফোরাম পেয়েছে ২টি আসন।

মন্তব্য

মতামত দিন

রাজনীতি পাতার আরো খবর

পদ ছেড়ে দল পুনর্গঠন চান মওদুদ-মোশাররফ

নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: একাদশ সংসদ নির্বাচনে ভোটের মাঠে নেতাকর্মীদের অবস্থান করাতে না পারার ব্যর্থতা স্বীকার করে দ . . . বিস্তারিত

নারী এমপি হতে চায় আ.লীগের ১৫১০ জন

নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: একাদশ জাতীয় সংসদের নারীদের জন্য সংরক্ষিত ৫০ আসনের ৪৩টি পাবে ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ। আর এই ৪৩ . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com