সংলাপে আরো সময় চায় ঐক্যফ্রন্ট, রাজী নয় আওয়ামী লীগ

০৭ নভেম্বর,২০১৮

সংলাপে আরো সময় চায় ঐক্যফ্রন্ট, রাজী নয় আওয়ামী লীগ

নিউজ ডেস্ক
আরটিএনএন
ঢাকা: আওয়ামী লীগ সরকারের সাথে ঐক্যফ্রন্টের সংলাপ শেষে আওয়ামী লীগ নেতা শেখ ফজলুল করিম সেলিম সাংবাদিকদের জানিয়েছেন ঐক্যফ্রন্ট আলোচনার জন্য আরো সময় চায়।

সরকারের সাথে আজ দ্বিতীয় দফায় সংলাপে অংশগ্রহণ করেছেন ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে নবগঠিত জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

সংলাপ শেষে ড. কামাল হোসেন বলেছেন, ‘এই পর্যায়ে আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে।’
সংলাপের ফলাফল কী?

ঐক্যফ্রন্টের দাবি সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরের ৯০ দিনের মধ্যে যেন নির্বাচন অনুষ্ঠান করা হয়।

তবে সরকার এই দাবি নাকচ করে দিয়েছে।

সংলাপে ঐক্যফ্রন্টের একজন প্রধান উপদেষ্টার অধীনে ১০ জন উপদেষ্টামণ্ডলীর সমন্বয়ে নির্বাচনকালীন সরকারের পুরনো ফর্মুলা তুলে ধরা হয়।

তবে তাদের এই দাবিগুলো ‘সংবিধানসম্মত নয়’ বলে সংলাপ শেষে সাংবাদিকদের জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

কাদের আরো বলেছেন মেয়াদ শেষ হওয়ার ৯০ দিন পরে নির্বাচনের দাবির ক্ষেত্রে কোনো দূরভিসন্ধি বা কৌশল থাকতে পারে যেখানে তৃতীয় কোনো শক্তির আসার সুযোগ থাকে। এটিও গ্রহণযোগ্য নয়।

তবে ওবায়দুল কাদের জানান নির্বাচনের সময় সব পক্ষকে সমান সুযোগ দেয়া, রাজনৈতিক মামলার সুরাহা করাসহ সংবিধান সম্মত যেসব বিষয়ের দাবি তারা করেছে সেগুলোর বিষয়ে সরকার ব্যবস্থা নেবে।

ঐক্যফ্রন্টের আরো সময় চাওয়ার বিষয়ে কাদের বলেন নির্বাচনী প্রক্রিয়া চলাকালীন অবস্থাতেই আলোচনা চলতে পারে। তবে আনুষ্ঠানিক সংলাপ আর হবে না।

সংলাপ শেষে কাদের বলেন, ‘সংলাপ ইতিবাচক হয়েছে।’

সংলাপ শেষে কোনো বক্তব্য দেননি বিএনপি’র নেতারা।

তারা পরবর্তীতে পৃথক সংবাদ সম্মেলন করবেন বলে জানানো হয়।

সরকারের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ১২ জনের দল সংলাপে অংশ নেয়।

ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে ১১ জন অংশ নেন সংলাপে। ঐক্যফ্রন্টের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন ড. কামাল হোসেন।
প্রথম দফা সংলাপে কী হয়েছিল?

এর আগে পহেলা নভেম্বর ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে প্রথম সংলাপে বসে সরকার।

সেসময় গণভবনে তিন ঘণ্টা দীর্ঘ আলোচনা হয় দুই পক্ষের মধ্যে যা শেষ হয়েছিল কোন রকম সমঝোতা ছাড়াই।

সেই আলোচনার জের ধরে রবিবার ড. কামাল হোসেন প্রধানমন্ত্রী বরাবর চিঠি লিখে আবারো আলোচনায় বসার অনুরোধ জানান।

চিঠিতে বলা হয়, পহেলা নভেম্বরের সংলাপের পর সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, এ বিষয়ে আরো আলোচনার সুযোগ রয়েছে।

সেই সূত্র ধরেই পরবর্তী আলোচনার জন্য চিঠি দেয় ঐক্যফ্রন্ট।

বিএনপি, গণফোরাম, জাসদের একাংশ এবং নাগরিক ঐক্য নিয়ে গঠিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সাত দফা দাবির মধ্যে রয়েছে খালেদা জিয়ার মুক্তি, সংসদ ভেঙে দিয়ে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন, নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনসহ বেশ কয়েকটি দাবি।

মন্তব্য

মতামত দিন

রাজনীতি পাতার আরো খবর

ঢাবিতে সহাবস্থান নিয়ে বিতর্ক, ডাকসু নির্বাচন কি জাতীয় নির্বাচনের পথে?

নিউজ ডেস্কআরটিএনএনঢাকা: দীর্ঘ ২৮ বছর পরে আদালতের নির্দেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন অনু . . . বিস্তারিত

চরমোনাই পীর আমির, অধ্যক্ষ ইউনূস মহাসচিব

নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বর্তমান আমির পীর সাহেব চরমোনাই মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম আ . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com