জাতিসংঘের আমন্ত্রণে ফখরুলের যুক্তরাষ্ট্র সফর, কী প্রতিক্রিয়া আ. লীগের

১৩ সেপ্টেম্বর,২০১৮

জাতিসংঘের মহাসচিবের আমন্ত্রণে মির্জা ফখরুলের যুক্তরাষ্ট্র সফর, যা বললেন কাদের

নিউজ ডেস্ক
আরটিএনএন
ঢাকা: বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জাতিসংঘের মহাসচিবের আমন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার বিষয়ে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, জাতিসংঘ আন্তঃরাষ্ট্রিক সর্বোচ্চ ফোরাম। সেখানে মির্জা ফখরুল কারো আমন্ত্রণে যেতেই পারেন। তবে রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে আমাদের সিদ্ধান্ত আমরাই নেব। সংবিধান বর্হিভূত কোনো চাপের কাছে আমরা নতিস্বীকার করব না।

বুধবার রাজধানীর নগরভবনের ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ডিটিসি সভাকক্ষে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের পরিচালনা পর্ষদের ১১তম সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। খবর বাসসের।

সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, জাতীয় সংসদের চলতি অধিবেশন আগামী ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে, আগামী রোববার ১৬ সেপ্টেম্বর প্রস্তাবিত সড়ক পরিবহন আইনটি সংসদে উপস্থাপন করা হবে। এরপর তা স্থায়ী কমিটিতে যাবে এবং আগামী অক্টোবর মাসে সংসদের শেষ অধিবেশনে আইনটি পাশ হবে ইনশাল্লাহ।

তিনি বলেন, সংসদের চলতি অধিবেশনের পর আরেকটি অধিবেশন বসবে। এর পর সংসদের আর কোনো অধিবেশন বসবে না। জাতীয় নির্বাচনের তফশিলের পরম মন্ত্রীরা শুধু রুটিন ওয়ার্ক করবে এবং এমপিদের কোনো দায়িত্ব থাকবে না। বিশ্বের অন্যান্য সংসদীয় রীতির দেশের মতই বাংলাদেশে আগামী জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সংবিধানের বাইরে যাওয়া যাবে না।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপি সহিংসতা করলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তার জবাব দেয়া হবে। তিনি বলেন, ‘বিএনপি অহিংস আন্দোলন করলে স্বাগতম জানাবো এবং তা রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করব। কিন্তু তা সহিংস হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিরোধ করব।’

সেতুমন্ত্রী বলেন, অনশন কর্মসূচি পালন করে সর্বাত্মক আন্দোলন করা সম্ভব নয়। এ ধরনের আন্দোলন করতে সাহস লাগে। বিএনপির সে ধরনের সাহস নেই। এই মুহূর্তে মানুষ নির্বাচনী আমেজে রয়েছে উল্লেখ করে কাদের বলেন, বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য মানুষ এত উতালা হলে তার গ্রেপ্তারের সময় গণবিস্ফোরণ ঘটত। কিন্তু গণবিস্ফোরণ তো দূরের কথা সামান্য কোনো আন্দোলনও তো দেখতে পেলাম না।

বিএনপির নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবির বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্বাচনের আগে পদত্যাগের দাবি বিএনপির মামার বাড়ীর আবদার। প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে দায়িত্ব নেবে কে?

খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়ে বিএনপির দাবীর জবাবে সেতুমন্ত্রী কাদের বলেন, খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়টি আদালতের এখতিয়ার। তাকে মুক্তি দেওয়ার ক্ষমতা সরকারের নেই। আদালত ইতোপূর্বে তাকে ত্রিশটি মামলায় জামিন দিয়েছে। সরকার হস্তক্ষেপ করলে এত মামলায় তার জামিন হতো না।

১৫৪ বার মামলার হাজিরায় অনুপস্থিত থেকেছেন উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, তার(খালেদা জিয়া) মুক্তির বিষয়ে বিএনপির নেতাদের যখন এত আগ্রহ তাহলে তার জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার বিচার কার্যক্রমে দশ বছর সময় পার করল কেন? দেরি না করলে নির্বাচনের আগ পর্যন্ত সময় লাগত না। তার দায় কে নেবে?

সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তের বিষয়ে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, রাজধানীর পূর্বাঞ্চল এলাকায় বাস টার্মিনাল নির্মাণের জন্য রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ রাজউক সাত একর জমি বরাদ্ধ দিয়েছে। দ্রুত এ বাস টার্মিনাল নির্মাণের কাজ শেষ হবে। গাজীপুরের টঙ্গী থেকে জয়দেবপুর মহাসড়কে জনগনের দুর্ভোগ না বাড়ে সেজন্য তিনি আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগ পর্যন্ত খুড়াখুড়ি বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন।

সভায় ডা. এনামুর রহমান এমপি, নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন এমপি, সাগুফতা ইয়াসমিন এমপিসহ সমন্নয় কর্তৃপক্ষের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

মতামত দিন

রাজনীতি পাতার আরো খবর

ড. কামালের রাজনৈতিক ঐক্য প্রক্রিয়ায় বিএনপির কী লাভ, কী বলছেন বিশ্লষকরা

নিউজ ডেস্কআরটিএনএনঢাকা: বাংলাদেশে একটি সরকার বিরোধী বৃহত্তর রাজনৈতিক জোট গঠনের লক্ষ্যে আজ ঢাকায় এক প্রকাশ্য সভায় যোগ দ . . . বিস্তারিত

আ.লীগ জনপ্রিয় দল, এ দলকে বাদ দিয়ে কোনো জাতীয় ঐক্য হবে না: কাদের

নিউজ ডেস্কআরটিএনএনঢাকা: আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখ . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com