সর্বশেষ সংবাদ: |
  • নির্বাচনের মাঠ এখনও লেভেল প্লেয়িং হয়নি: ড. কামাল
  • প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন চায় না নির্বাচন কমিশন, প্রার্থীদের সমান সুযোগ নিশ্চিতে নিরপেক্ষতার প্রশ্নে ছাড় নয় : কমিশনার শাহাদাত
  • বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার শুরু হবে ১৮ নভেম্বর, প্রথম দিন রাজশাহী ও রংপুর বিভাগ

‘সাদা পোশাকে ধরপাকড়ের ব্যাপারে তদন্তের দরকার আছে’

১১ সেপ্টেম্বর,২০১৮

‘সাদা পোশাকে ধরপাকড়ের ব্যাপারে তদন্তের দরকার আছে’

নিজস্ব প্রতিবেদক
আরটিএনএন
ঢাকা: সংবিধান প্রণেতা, গণফোরাম সভাপতি এবং জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেন বলেছেন, ‘সাদা পোশাকে ধরপাকড়ের ব্যাপারে কিছুটা তদন্তের দরকার আছে। এরা কারা? সাদা পোশাকে তো কাউকে ধরার ক্ষমতা আইনে দেয়া নেই।’

মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে গণফোরাম আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই প্রশ্ন তোলেন তিনি।

ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘এখন মানুষ যদি সাদা পোশাকওয়ালাদের ধরে বলে তুমি কে? পোশাক এই কারণেই দেয়া হয় যে সাধারণ মানুষের বুঝতে পারে যে তারা রাষ্ট্রের পক্ষের দায়িত্ববান লোক। পোশাক না পড়লে মানুষ ধরে নিতে পারে এরা হলো ছিনতাইকারী। এরা মানুষকে অন্যায়ভাবে কিডন্যাপ করছে। এই কারণেও কিন্তু এই প্রক্রিয়া বন্ধ হওয়া উচিত।

‘এটা আইনে এই বিধান নাই যে সাদা পোশাক পড়ে কেউ কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারে। হয়তো বিশেষ মামলায় পোশাক না পড়া লোক এটা করতে পারে। যারা ইউনিফর্ম পড়ে তারা একটি ডিসিপ্লিনের মধ্যে থাকে, তাদের পরিচয় থাকে। যাদের ধরার ক্ষমতা আছে তাদের আইনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হতে হবে।’

স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম এই সংবিধান প্রণেতা বলেন, ‘আজকে আমাদের উদ্বেগ প্রকাশ করতে হয় যে আমরা সাংবিধানিক শাসনের বাইরে চলে যাচ্ছি। সংবিধানের বাইরে গিয়ে করলে তা বেআইনি শাসন এবং সাধারণ মানুষকে হয়রানির পর্যায়ে পড়ে। এটা বেশি হলে আমরা গুরুত্বর সংকটের সম্মুখীন হবো। সরকারকে এই ব্যাপারে সজাগ হতে হবে যাতে এই জিনিসগুলো দ্রুত বন্ধ করা যায়।’

কামাল হোসেন বলেন, ‘মৃত ব্যক্তিকে ককটেল ছুড়তে দেখেছে পুলিশ! এগুলো পুলিশ সম্পর্কে উদ্বেগের কারণ। এরকম ঘটনা একটার পর একটা ঘটছে। এটা অবশ্যই উদ্বেগের কারণ। একটি দেশের পুলিশের ওপর আইনের সঠিক এবং নিরপেক্ষ প্রয়োগ এগুলো সব আমরা আশা করতে পারি, এমনকি দাবিও করতে পারি।’

তিনি বলেন, ‘সাংবিধানিক শাসন যেখানে থাকে সেখানে পুলিশের ওপর একটি নিয়ন্ত্রণ থাকে। এটি হলো সাংবিধানিক শাসন। যেখানে স্বৈরতন্ত্র থাকে সেখানে ইচ্ছামত লোকজন ধরা যায়, মানুষকে গুম করা যায়। সাংবিধানিক শাসন থাকলে কাউকে ধরলে বলতে হবে, কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে জানাতে হবে, কোর্টে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হাজির করতে হবে যাতে সে জামিন নিতে পারে। একবার দুবার এরকম হলে আমরা বলতে পারি বিশেষ কারণে হয়তো এই আইন অমান্য করা হয়েছে, কিন্তু রীতিমত যদি হতেই থাকে তাহলে তো আর আমাদের সাংবিধানিক শাসন থাকেনা।’

ড. কামালা বলেন, ‘সবচেয়ে আপত্তিকর যেই জিনিসটা সরকারকে আমরা জানাবো যে, এই আদেশ যদি পুলিশকে দিয়ে থাকেন, তাহলে আপনারা এটা থেকে বিরত থাকুন, অন্যথায় আমরা কোর্টে যাবো। এই আদেশ দেয়া যেতে পারে না যে, আমরা (সরকার) কেন ধরছি এটা আমরা জানাবো না। এটা হতে পারে না, এটা মেনে নেয়া যায় না। পুলিশ যদি আদেশ না পেয়ে এরকম করে থাকে তাহলে সেটা আরও গুরুতর অপরাধ। আর যদি ওপরের থেকে আদেশ দেয়া হয় তাহলে এই ধরনের আদেশ বেআইনি। নির্বাচনকে সামনে রেখে যদি এগুলো করতে থাকে সরকার তাহলে পরিবেশটা নষ্ট হচ্ছে। সে কারণে আমরা বলছি নির্বাচন যদি হয়, তাহলে পরিবেশ রক্ষা করতে হয়। কিন্তু সেই জিনিসটার উল্টোটা হচ্ছে।’

মন্তব্য

মতামত দিন

রাজনীতি পাতার আরো খবর

বর্তমান সংবিধান হচ্ছে আ’লীগের গঠনতন্ত্র: সুব্রত চৌধুরী

নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: ঐক্যফ্রন্টের কেন্দ্রীয় নেতা ও গণফোরামের কার্যকরী সভাপতি এ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী বলেছেন, . . . বিস্তারিত

অসুস্থতা নিয়ে সিএমএইচে ভর্তি এরশাদ

নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনজাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ অসুস্থতা নিয়ে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com