সর্বশেষ সংবাদ: |
  • নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন না করলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে: মাহবুব তালুকদার
  • সাতদিন আগে থেকেই নির্বাচনি মাঠে সেনাবাহিনী থাকবে: ইসি
  • শেষ টেস্ট জিতে সিরিজ ড্র করল টাইগাররা

‘জোটকে শক্তিশালী করতে বিএনপির মনোযোগী হওয়া উচিত’

১০ সেপ্টেম্বর,২০১৮

‘ঐক্যের চেয়ে  জোটকে শক্তিশালী করতে বিএনপির মনোযোগী হওয়া উচিত’

ন্জিস্ব প্রতিবেদক
আরটিএনএন
ঢাকা: লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির সভাপতি ড.কর্ণেল (অব.) অলি আহমেদ বলেছেন,বৃহত্তর ঐক্যের চেয়ে বরং দল ও জোটকে শক্তিশালী করতে বিএনপির মনোযোগী হওয়া উচিত।কারণ এক দল চেয়েছে ১৫০টি আসন, এলডিপি এবং অন্যান্য দল ১০০টা সিট চাবে, তাহলে বিএনপি কী করবে?এভাবে যদি সবাইকে ভাগ দিতে হয় তাহলে বিএনপি বিলীন হয়ে যাবে।

নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকার বিরোধী আন্দোলনকে জোরদার করতে অনেক আগে থেকেই জাতীয় ঐক্যের কথা বলছে বিএনপি। তবে, ঐক্যে আগ্রহী দলগুলো আগামী নির্বাচনে ১৫০ আসন চাওয়ার পাশাপাশি জামায়াতের সঙ্গ ছাড়ার শর্তও জুড়ে দিয়েছে।

বিকল্পধারা বাংলাদেশের সভাপতি ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী বলেন, ‘আমি ১৫০ এর নিচে থাকবো না। যদি তারা ওই ধরনের শর্তে রাজি না হয়, বা ভারসাম্যের প্রেক্ষাপটে, আমরা কখনো কারও সঙ্গে যাব না, যত বড় দলই হোক তারা। প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে যারা দেশের স্বাধীনতার বিরোধী আমরা তাদের সঙ্গে যাবো না।’

বৃহত্তর ঐক্যের জন্য কিছুটা ছাড় দিতেও রাজি বিএনপি। কিন্তু কতটা? সেই হিসেব নিকেষ এখনো চলছে বিএনপির ভেতরে। এ বিষয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বৃহত্তর যে ঐক্য, সে ঐক্য কখনোই হবে না, যদি না আমরা কিছু না কিছু ত্যাগ স্বীকার করি বা ছাড় দেই। সেই ছাড় দিয়ে আমাদের একটা জায়গায় আসতে হবে, আমরা সেটাই চেষ্টা করছি।

বিএনপি বলছে ঐক্য প্রক্রিয়া ২০ দলীয় জোটের বাইরে সরকার বিরোধী আন্দোলনের আরেকটি পদক্ষেপ। আর এখানেই আপত্তি জোটের শরীকদের।

লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির সভাপতি ড.কর্ণেল(অব) অলি আহমেদ বলেছেন, বিএনপির উচিত ছিল ২০ দলীয় জোটের সাথে এ ব্যাপারে আগেই পরামর্শ করা। ১৫০টি সিট চেয়েছে, এলডিপি এবং অন্যান্য দল ১০০টা সিট চাবে, তাহলে বিএনপি কি করবে। এভাবে যদি সবাইকে ভাগ দিতে হয় তাহলে বিএনপি বিলীন হয়ে যাবে। তাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হবে বিএনপিকে সুসংগঠিত করা।

এদিকে বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির সভাপতি মেজর জেনারেল (অব) সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহিম বলেছেন, ২০ দলীয় জোটের মধ্যে জামায়াত থাকবে কি থাকবে না, সেটার একাধিক বন্দোবস্ত করা যায়। মূল লক্ষ্যটা যদি হয় নির্বাচন, সর্বাধিক জনসমর্থন আদায়, তার জন্য আমাদেরকে এমন একটা কৌশল ব্যবহার করতে হবে যাতে করে বিপরীত পক্ষ সুবিধা না পায়।

একক সিদ্ধান্তের চেয়ে সম্মিলিত সিদ্ধান্তই কার্যকর বলে মত জোট নেতাদের।

মন্তব্য

মতামত দিন

রাজনীতি পাতার আরো খবর

ক্ষমা না চাইলে খালেদা জিয়ার গুলশান কার্যালয় ঘেরাও: ছাত্রলীগ

নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নিঃশর্ত ক্ষমা না চাইলে খালেদা জিয়ার গুলশানের রাজ . . . বিস্তারিত

অবশেষে জামিন পেলেন শহিদুল আলম

নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনের সময়ে করা তথ্য-প্রযুক্তি আইনের মামলায় গ্রেপ্তার আলোকচিত্রী শহ . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com