ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার তৃণমূল বিএনপির নিবন্ধন বাতিল

১২ জুন,২০১৮

ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার তৃণমূল বিএনপির নিবন্ধন বাতিল

নিজস্ব প্রতিবেদক
আরটিএনএন
ঢাকা: নির্ধারিত সময়ের পরে ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা তৃণমূল বিএনপি নামে একটি দলের নিবন্ধন চেয়ে আবেদন করেন। নির্ধারিত সময়ের পরে আবেদনটি আসায় কমিশন তা বাতিল করে দেয়। সেই নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধনে থাকা আরো একটি রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছে।

মঙ্গলবার কমিশন সভায় নির্বাচন কমিশন (ইসি) তালিকায় থাকা ২৯ নম্বর ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলন নামে দলটির নিবন্ধন বাতিল করার সিদ্ধান্ত হয়।

বৈঠক শেষে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, আমরা এর আগে ৪০টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের কাছে কিছু তথ্য চেয়েছিলাম। সবাই দিলেও ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলন সময় মতো কমিশনে তথ্য না দেওয়ায় দলটির নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছে। সে হিসেবে ইসির নিবন্ধনে বর্তমানে ৩৯টি রাজনৈতিক দল থাকল।

সচিব আরো জানান, নির্ধারিত সময়ের পরে ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা তৃণমূল বিএনপি নামে একটি দলের নিবন্ধন চেয়ে আবেদন করেন। নির্ধারিত সময়ের পরে আবেদনটি আসায় কমিশন তা বাতিল করে দেয়। পরে তিনি আদালতে গেলে হাইকোর্ট কমিশনকে বিষয়টি বিবেচনা করতে বলেন। কমিশন আদেশটি বিবেচনায় নিয়ে দলটির কাগজপত্র দেখেন। আবেদনটি নির্ধারিত সময়ে আসেনি এবং সরকারি নির্ধারিত ফি জমা দেননি। তার আবেদন যাচাই বাছাই করে আরো দেখা গেছে নিবন্ধন দেওয়ার মতো সেখানে যে তথ্য দরকার তা সেখানে নেই। তাই কমিশন বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

ইসি সূত্র জানায়, এর আগে স্থায়ী সংশোধিত গঠনতন্ত্র দিতে না পারায় ২০০৯ সালে ফ্রিডম পার্টির নিবন্ধন বাতিল করে ইসি। আর আদালতের আদেশে ২০১৩ সালে জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন অবৈধ হয়।

ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ আরো বলেন, এবার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ৭৫টি নতুন দল আবেদন করে। সেখান থেকে প্রাথমিক বাছাইয়ে ১৯টি দল বাতিল হয়। এরপর তথ্য সংশোধন করে দেয়ার জন্য চিঠি দেওয়া হয়। তাতে ৯টি দল ব্যর্থ হলে তাদের আবেদন বাতিল করা হয়। বাকি ৪৭টি দল থেকে ২টি দলের আবেদন আমলে নিয়েছে কমিশন। এখন মাঠপর্যায়ে এদের খোঁজ নেওয়া হবে।

এর আগে দশম সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আগ্রহী নতুন ৪৩টি রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেছিল। এর মধ্যে ৪১টিই নির্বাচন কমিশনের কাছে নিজেদের ‘যোগ্যতার’ প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হয়।

মাত্র দুটি দল শর্ত অনুযায়ী মাঠপর্যায়ে কার্যালয় ও কমিটি থাকার তথ্য দিয়েছিল। এরপর তাদের নিবন্ধন দেয় কমিশন। দল দুটি হলো- বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ) ও সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট।

উল্লেখ্য, ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন প্রথা চালু করে ইসি। প্রথম বছরে ১১৭টি আবেদন জমা পড়ে। এর মধ্যে শর্ত পূরণ সাপেক্ষে ৩৯টি দল নিবন্ধন পায়। এর মধ্যে স্থায়ী সংশোধিত গঠনতন্ত্র দিতে না পারায় ২০০৯ সালে ফ্রিডম পার্টির নিবন্ধন বাতিল করে ইসি। আর আদালতের আদেশে ২০১৩ সালে জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন অবৈধ হয়। এছাড়া, ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ মুসলিম লীগ (বিএমএল) নামে নতুন একটি দলের নিবন্ধন দেয়া হয়।

মন্তব্য

মতামত দিন

রাজনীতি পাতার আরো খবর

গণসংহ‌তি’র নেতাকর্মী‌দের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি সহ বাম সংগঠনের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্ . . . বিস্তারিত

৫ জানুয়ারির মতো নির্বাচনের কথা ভু‌লে যান: মাহবুব হো‌সেন

নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: ক্ষমতাসীন আওয়ামী লী‌গকে উদ্দেশ্য বিএন‌পির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহ . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com