ব্রেকিং সংবাদ: |
  • ওসির গুলিতে বিএনপি নেতা মাহাবুব উদ্দিন খোকন গুরুতর আহত

অধ্যাপক মুজিবুরসহ ১০ নেতা কারাগারে

১২ মার্চ,২০১৮

অধ্যাপক মুজিবুরসহ ১০ নেতা কারাগারে

নিজস্ব প্রতিনিধি
আরটিএনএন
রাজশাহী: রাজশাহীতে গ্রেপ্তার জামায়াতের ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত আমির মুজিবুর রহমানসহ ১০ নেতাকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। আর তাদের বিরুদ্ধে বোয়ালিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সোমবার বিকালে নগরীর বোয়ালিয়া থানায় মামলাটি করা হয়।

নগরীর মালোপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক নাসির হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি করেছেন।

তিনি জানান, বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়ের করা এ মামলায় পুলিশের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয় নাশকতার পরিকল্পনা করার উদ্দেশ্যে এই ১০ জামায়াত নেতা গোপন বৈঠক করছিলেন। এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে বিকালে আসামিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আদালতে তাদের প্রত্যেকের সাত দিন করে রিমান্ডেরও আবেদন করা হয়েছে।

এর আগে সকালে নগরীর হেতেমখাঁ ছোট মসজিদ এলাকায় মহানগর জামায়াতের রোকন মুজিবুর রহমানের বাড়ি থেকে ১০ নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ১০ নেতার মধ্যে জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির মুজিবুর রহমান এবং বাড়ির মালিক মুজিবুর রহমানও আছেন। রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও বোয়ালিয়া থানা পুলিশ যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তার অন্য আট নেতা হলেন- রাজশাহী জেলা (পূর্ব) আমির রেজাউর রহমান, জেলা (পশ্চিম) আমির আবদুল খালেক, মহানগর আমির ড. আবুল হাশেম, সেক্রেটারি সিদ্দিক হোসেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা আমির আবুজার গিফারী, রোকন রফিকুল ইসলাম, রাজশাহী জেলা পূর্ব জামায়াতের সদস্য ময়নুল হোসেন এবং গোদাগাড়ী থানা জামায়াতের কর্মী তৈয়ব আলী।

মহানগর ডিবি পুলিশের সহকারী কমিশনার আল-আমিন হোসাইন জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জামায়াত নেতারা জানান- আগামী সিটি নির্বাচনকে ঘিরে তারা দলীয় সভা করছিলেন। তবে এ ব্যাপারে তাদের আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। তাই আদালতে তাদের প্রত্যেকের সাত দিন করে রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে।

আল-আমিন হোসাইন জানান, আদালত রিমান্ড আবেদন গ্রহণ করেছে। তবে শুনানি হয়নি। পরবর্তীতে শুনানি হবে। আসামিদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আদালতে আসামিদের রিমান্ড মঞ্জুর হলে তাদের ফের থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

বিমান দুর্ঘটনার জন্য পরিচিত ত্রিভুবন এয়ারপোর্ট

নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন বিমানবন্দরে এর আগেও আরো বহু বিমান দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে। পাহাড় ঘেরা এই বিমানবন্দরটি কাঠমান্ডু উপত্যকায় এবং শহরের কেন্দ্র থেকে প্রায় ছয় কিলোমিটার দূরে।

একের পর এক বিমান দুর্ঘটনার কারণে এই বিমানবন্দরটির নিরাপত্তা নিয়ে প্রায়শই আলোচনা হয়। খবর-বিবিসি

নেপাল থেকে এক সংবাদদাতা বলছেন, বিমানবন্দরটিতে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক কোনো বিমান অবতরণের পর থেকে এ পর্যন্ত ৭০টিরও বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে। বলা হচ্ছে, এসব দুর্ঘটনায় ৬৫০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। বিমানের পাশাপাশি সেখানে হেলিকপ্টারও বিধ্বস্ত হয়েছে।

সোমবার বাংলাদেশী একটি বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার পর নেপালে বিমান চলাচলে নিরাপত্তার দুর্বলতার বিষয়টি আবারও চোখের সামনে চলে এলো।

বিশ্লেষকরা বলছেন, নেপালে বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগে বিভিন্ন সময়ে তাদের সমালোচনা হয়েছে।

উইকিপিডিয়া বলছে, নিয়মিত বিমান চলাচল শুরু হওয়ার কিছু দিন পরই একটি দুর্ঘটনা ঘটে ১৯৭২ সালের মে মাসে। থাই এয়ারওয়েজের একটি বিমান অবতরণ করার সময় রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়ে। তাতে ১০০ জনের মতো যাত্রী ও ১০ জন ক্রু ছিলো। তাদের একজন নিহত হয়েছে।

১৯৯২ সালে থাই এয়ারওয়েজের একটি এয়ারবাস অবতরণ করার জন্যে বিমানবন্দরের দিকে অগ্রসর হওয়ার সময় একটি পাহাড়ে বিধ্বস্ত হয়। এতে ১১৩ জন যাত্রীর সকলেই নিহত হয়।

একই বছরের সেপ্টেম্বর মাসে হয় আরো একটি বড় ধরনের দুর্ঘটনা। পিআইএর বিমানটি বিধ্বস্ত হলে বিমানের ভেতরে থাকা ১৬৭ জনের সবাই প্রাণ হারায়।

দুর্ঘটনার সাথে সাথে বিমানটিতে আগুন ধরে যায়

১৯৯৫ সালে রয়্যাল নেপাল এয়ারলাইন্সের একটি বিমান বেষ্টনী ভেঙে মাঠের ভেতরে ঢুকে যায়। তাতে দুই জন নিহত হয়।

লুফথানসার একটি বিমান এয়ারপোর্ট থেকে উড়ান শুরু করার পাঁচ মিনিটের মধ্যেই বিধ্বস্ত হয়। তাতে পাঁচজন ক্র সদস্য নিহত হয়। এটি ঘটেছিলো ১৯৯৯ সালের জুলাই মাসে।

ওই একই বছরের সেপ্টেম্বর মাসে নেকন এয়ারের একটি বিমান ত্রিভুবন বিমানবন্দরের দিকে অগ্রসর হওয়ার সময় একটি টাওয়ারের সাথে সংঘর্ষে কাঠমান্ডু থেকে ১৫ কিলোমিটার পশ্চিমে একটি অরণ্যে বিধ্বস্ত হয়। এতে ১০ জন যাত্রী ও ৫ জন ক্রুর সবাই নিহত হন।

২০১১ সালে বুদ্ধ এয়ারের একটি বিমান বিমানবন্দরের দিকে অগ্রসর হওয়ার সময় দুর্ঘটনায় ১৯ জন আরোহীর মধ্যে একজন শুরুতে প্রাণে বাঁচতে সক্ষম হলেও পরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় মারা যান। বলা হয় খারাপ আবহাওয়া ও নিচুতে থাকা মেঘের কারণে ওই দুর্ঘটনা ঘটেছিলো।

২০১২ সালে সিতা এয়ারের একটি বিমান উড্ডয়নের পরপরই সম্ভবত একটি শকুনের সাথে ধাক্কা খাওয়ার পর বিধ্বস্ত হয়। এতে ১৯ জন আরোহীর সবাই মারা যান।

২০১৫ সালে তুর্কী এয়ারলাইন্সের একটি বিমান ঘন কুয়াশার মধ্যে নামতে গিয়ে সমস্যার মধ্যে পড়ে। ৩০ মিনিট ধরে এটি বিমানবন্দরের উপর উড়তে থাকে। দ্বিতীয়বারের চেষ্টায় নামতে পারলেও সেটি রানওয়ের থেকে ছিটকে মাঠের ঘাসের উপর চলে যায়। ২২৭ জন যাত্রীকে সেখান থেকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়।

২০১৭ সালের মে মাসে সামিট এয়ারলাইন্সের একটি বিমান

আর সর্বশেষ দুর্ঘটনার শিকার হলো ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের বিমানটি।

মন্তব্য

মতামত দিন

রাজনীতি পাতার আরো খবর

বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে যা থাকছে

নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: শিক্ষা, স্বাস্থ্য, স্বাধীন বিচার বিভাগ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে স্থায়ী ব্যবস্থায় নির্ . . . বিস্তারিত

আ’লীগ ও বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার মঙ্গলবার

নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দল ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও বিএনপি একই দিন মঙ্গলবার একাদশ জাতীয় সং . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com