শেখ হাসিনা দেশের মানুষকে স্বপ্ন দেখান ও বাস্তবায়ন করছেন: সরকারি দল

১১ ফেব্রুয়ারি,২০১৮

শেখ হাসিনা দেশের মানুষকে স্বপ্ন দেখান

নিজস্ব প্রতিবেদক
আরটিএনএন
ঢাকা: রাষ্ট্রপতির ভাষণ সম্পর্কে আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে সরকারি দলের সদস্যরা বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের মানুষকে নতুন করে স্বপ্ন দেখান এবং তা বাস্তবায়ন করছেন।

তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রী তার দূরদর্শী ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বের মাধ্যমে এ স্বপ্ন একের পর এক বাস্তবায়ন করে দেশকে উন্নত সমৃদ্ধ দেশের কাতারে নিয়ে যাচ্ছেন। খবর-বাসস

গত ৯ জানুয়ারি চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাব উত্থাপন করলে হুইপ মো. শাহাব উদ্দিন সমর্থন করেন।

গত ৭ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদের ১৯তম ও বছরের প্রথম অধিবেশনের শুরুর দিন সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সংসদে এ ভাষণ দেন।

রাষ্ট্রপতির ভাষণে আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর আজ ২৪তম দিনে সরকারি দলের খন্দকার আবদুল বাতেন, বেগম আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরী, মাহজাবিন খালেদ, সেলিনা জাহান লিটা, বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ তাজুল ইসলাম চৌধুরী ও বেগম সালমা ইসলাম আলোচনায় অংশ নেন।

সরকারি দলের সদস্যরা বলেন, শেখ হাসিনা একজন বিষ্ময়কর রূপকারের নাম। তার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি আজ বাংলাদেশকে বিশ্ববাসীর কাছে বিষ্ময়ে পরিণত করেছেন। বাংলাদেশের সাধারণ জনগণের কাছে তিনি একজন সাদামাটা, গরীবের বন্ধু, সৎ মানুষ হিসেবে পরিচিত।

তারা বলেন, জিয়াউর রহমান ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার রহিত করেছিল। সে সাম্প্রদায়িকতার বীজ বপণ করে দেশের সংবিধানকে কাটছাট করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধ্বংসের ষড়যন্ত্র করেছিল। জিয়া যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধ করে দিয়ে তাদের রাজনীতিতে পুনর্বাসিত করেছিল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, বঙ্গবন্ধু হত্যা ও ৩ নভেম্বর জেলহত্যার বিচার হয়েছে।

সরকারি দলের সদস্যরা বলেন, বাংলাদেশের দারিদ্র্য দূরিকরণের কৌশলপত্র নিয়ে জাতিসংঘে আলোচনা হয়েছে। বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল।

তারা বলেন, বিএনপি দলের গঠনতন্ত্র সংশোধন করে দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিয়েছে। দুর্নীতিকে তারা স্বীকৃতি দেয়েছে। সরকারের নীতি হচ্ছে, এদেশের মাটিতে দুর্নীতিবাজদের কোন স্থান নেই। যারা দেশের সম্পদ লুট করে বিদেশে সম্পদের পাহাড় গড়েছে, তাদের দেশের মাটি থেকে উৎখাত করতে হবে।

বিরোধী দলের চিফ হুইপ তাজুল ইসলাম চৌধুরী দাবি করেন, একটি পিছিয়ে পড়া দেশকে উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নিয়েছিলেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। তার সময়ে দেশের প্রতিটি প্রান্তে উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে। তিনি ১৯৯০ সালে স্বেচ্ছায় ক্ষমতা হস্তান্তরের পর তাকে বিনা অপরাধে সাড়ে ৬ বছর জেলখানায় রেখে নির্মম নির্যাতন করা হয়। ওই সময় তার পরিবারের সদস্যদের প্রতিও অন্যায়ভাবে নির্যাতন করেছিল তৎকালীন সরকার।

তিনি উন্নয়নের পাশাপাশি দ্রব্যসামগ্রী মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখার আহবান জানিয়ে সঞ্চয়পত্রের সুদের হার হ্রাস, জ্বালানি তেলের দাম কমানো, উপজেলা পদ্ধতি পুনঃপ্রবর্তনের দাবি জানান।
গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে জাতীয় পার্টি আগামী নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করবে উল্লেখ করে তিনি সকলকে ওই নির্বাচনে অংশ নেয়ার আহবান জানান।

মন্তব্য

মতামত দিন

রাজনীতি পাতার আরো খবর

নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতেই অংশ নিয়েছিল বিএনপি: হাছান মাহমুদ

নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতেই বিএনপি নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ড . . . বিস্তারিত

সততার শক্তি অপরিসীম সেটা প্রমাণে সক্ষম হয়েছি: মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে মন্ত্রীদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, ‘নিষ্ঠ . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com