বিএনপি নেতারা ক্লান্ত!

১৩ নভেম্বর,২০১৭

বিএনপি নেতারা ক্লান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক
আরটিএনএন
ঢাকা: জাতীয় বিপ্লব ও জাতীয় সংহতি দিবস উপলক্ষে রবিবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মহাসমাবেশ করার পর বিএনপি নেতারা ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশের পরদিন সোমবার স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও নজরুল ইসলাম খান ছাড়া উল্লেখযোগ্য শীর্ষ কোনো নেতাকে কোথায়ও কোনো অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে দেখা যায়নি।

বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, সোহরাওয়ার্দীর সমাবেশ ঘিরে বিএনপির নেতাদের বিগত কয়েক সপ্তাহ যাবৎ বেশ পরিশ্রম করতে হয়।তাই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সফল জনসমাবেশের পর তারা সবাই বিশ্রামে রয়েছেন।

তবে বিএনপি নেতারা ক্লান্ত হলেও বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের সাধারণ নেতা-কর্মীদের বিএনপির পল্টন অফিসের আশপাশে অনেক দিন পর বেশ চাঙ্গাভাবে আড্ডা দিতে দেখা যায়।

অপরদিকে সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে জাতীয়তাবাদী প্রজন্ম’ ৭১ এর উদ্যোগে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভূমিকা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় বিএনপি স্থায়ী কমিটি সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, জনসভায় বেগম খালেদা জিয়া শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে কোনো ব্যক্তিগত অভিযোগ করেন নাই।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনসভায় রবিবার খালেদার জিয়ার বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের মন্তব্যের জবাবে এ কথা বলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য।

এর আগে রবিবার ধানমন্ডিতে দলীয় কার্যালয়ে আওয়ামী সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের প্রতিক্রিয়ায়-সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনসভায় খালেদা জিয়া যে ভাষণ দিয়েছেন, সেই ভাষণ শেখ হাসিনার প্রতি তার আক্রোশের নগ্ন বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেন।

বিএনপি তো নজরূল ইসলাম খান বালেন, নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের যে দাবি ও শেখ হাসিনা সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনে বিএনপি যাবে না বলে যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা বেগম জিয়ার রাজনৈতিক বক্তব্য, এখানে কারো প্রতি প্রতিহিংসা বা আক্রোশের ব্যাপার নেই।

বেগম খালেদার জিয়ার দাবি জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ বলেও তিনি মন্তব্য করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।

নজরুল ইসলাম খান আরো বলেন, বেগম খালেদা জিয়া দুইটা চ্যালেঞ্জ করেছেন এর একটা হলো কোনো বাঁধা না দিয়ে জনসভা করেন- দেখেন কার জনসভায় কত লোক হয়, আরেকটা হলো নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন দেওয়া হোক, দেখুন ফলাফল কি হয়?

নজরুল ইসলাম খান সরকারের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা যদি সত্যিকার অর্থে গণতন্ত্রে বিশ্বাস করেন, তাহলে বেগম খালেদা জিয়ার চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করুন।

উল্লেখ্য জাতীয় বিপ্লব ও জাতীয় সংহতি দিবস উপলক্ষে রবিবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মহাসমাবেশে আগামী নির্বাচনে বিচারিক ক্ষমতা দিয়ে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা এবং ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) চালুর চেষ্টা বন্ধ সহ নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে অবাধ সুণ্ঠু নির্বাচনের দাবি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ।

মন্তব্য

মতামত দিন

রাজনীতি পাতার আরো খবর

ড. কামালকে কূটনীতিকরা, পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী কাকে বানাবেন?

নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: ঢাকায় অবস্থানরত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বিএনপি ও জাতীয় ঐক্য . . . বিস্তারিত

খালেদার জিয়ার চ্যারিট্যাবল মামলায় হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল

নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে জিয়া চ্যারিট্যাবল ট্রাস্ট মামলার কার্যক্রম বিচারিক আদালতে চলবে হ . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com