ব্রেকিং সংবাদ: |
  • ২০ দলীয় জোটের বৈঠক রাতে
  • কিউবায় কয়েক যুগ পর কাস্ত্রো পরিবারের বাইরে কেমন হবে নতুন নেতৃত্ব
  • তারেক রহমানকে ফেরানোর উদ্যোগ সরকারের, বিএনপি ও আইন কী বলছে

২০৩০ সালের মধ্যে দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে যেমন দেখতে চান খালেদা জিয়া

১৯ মে,২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক
আরটিএনএন
ঢাকা: ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উচ্চমধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া একটি দীর্ঘমেয়াদী মহাপরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন।

এক্ষেত্রে তিনি দেশের রাজনীতি, পররাষ্ট্রনীতি, অর্থনীতি, কৃষি-শিল্প ও শিক্ষা-সংস্কৃতিসহ সব সেক্টরে আমূল পরিবর্তনের কথা বলেছেন। খালেদার পরিকল্পনা থেকে বাদ যায়নি দেশের ক্রীড়াঙ্গনও। বহির্বিশ্বে দেশের ভাবমূর্তি তুলে ধরতে ক্রীড়াঙ্গনকে মূলচালিকা শক্তি হিসেবে উল্লেখ করে এর সার্বিক উন্নয়নে তিনি তার মহাপরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেছেন।

গত ১০ মে সাংবাদিক সম্মেলনে ‘ভিশন ২০৩০’ নামে তিনি এই ভবিষ্যত মহাপরিকল্পনা তুলে ধরেন।

তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও  বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে খেলাধুলার কয়েকটি ক্ষেত্রে বিশ্বমানচিত্রে বাংলাদেশ যাতে একটি গ্রহণযোগ্য স্থান করে নিতে পারে সে লক্ষ্যে পরিকল্পিত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এজন্য খেলাধুলায় আন্তর্জাতিক মান অর্জনের জন্য প্রতি জেলায় একটি আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর ক্রীড়া একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হবে।

বেগম জিয়া আরো বলেন,মাল্টি গেমস্ ইভেন্ট (Multi Games Event)যেমন সাউথ এশিয়ান গেমস, এশিয়ান গেমস, কমন ওয়েলথ গেমস, অলিম্পিক গেমস ইত্যাদিতে বাংলাদেশের সম্মানজনক স্থান অর্জনের জন্য দেশে একটি আধুনিক জাতীয় অলিম্পিক একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হবে।

প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ক্রীড়া ও খেলাধুলার উন্নয়নের লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষক, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়ন ও ক্রীড়া সরঞ্জামাদি সংগ্রহের জন্য সরকারী ও বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা হবে। ব্যাংক ও বেসরকারি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানগুলোকে ক্রীড়া ও খেলাধুলার মান উন্নয়নকে তাদের কর্পোরেট সোস্যাল রেসপনসিবিলিটির (CSR) অন্তর্ভুক্ত করতে আরো উৎসাহিত করা হবে।

বিএনপির চেয়ারপারসন বলেন, স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্রীড়ার ক্ষেত্রে মূল্যায়নের ভিত্তিতে যাদেরকে প্রতিশ্রুতিবান বিবেচনা করা হবে তাদের একটি জাতীয় তালিকা প্রণয়ন করা হবে। এ সব প্রতিশ্রুতিবান ক্রীড়াবিদ ও খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এদের মধ্য থেকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতায় সক্ষমদের চিহ্নিত করা হবে এবং জাতীয় ক্রীড়া ও খেলার টিমে এদের অংশগ্রহণ সুনিশ্চিত করা হবে। এছাড়া সামাজিক প্রতিষ্ঠান, ক্লাব ও গণমাধ্যমকে ব্যবহার করে ক্রীড়া ও খেলাধুলার ক্ষেত্রে ‘ট্যালেন্ট হান্ট’ স্কিম চালু করা হবে।

বেগম জিয়া বলেন, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী ক্রীড়াবিদদের সম্মানজনক জাতীয় পুরষ্কার দেয়া হবে। প্রতিটি প্রশাসনিক ইউনিটে (উপজেলা, জেলা, বিভাগ) ক্রীড়া ও খেলাধুলার ক্ষেত্রে আকর্ষণীয় পুরষ্কার ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। এক্ষেত্রে ক্রীড়াঙ্গন ও ক্রীড়া প্রতিষ্ঠানগুলোতে সঠিক নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠাকল্পে দলীয় হস্তক্ষেপ বন্ধ করা হবে।

মন্তব্য

মতামত দিন

রাজনীতি পাতার আরো খবর

মন্ত্রী হওয়াটা কি আমার অপরাধ: ওবায়দুল কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: ‘ফখরুল সাহেব রংপুর সিটি নির্বাচনে ক্যাম্পেইন করলেন। আমি মন্ত্রী হওয়ার কারণে সেখানে য . . . বিস্তারিত

বিএনপি’র নেতাদের বক্তব্যে অনৈক্য দৃশ্যমান

নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বাইরে রেখে আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলটি অংশ নেবে . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com