খালেদা জিয়ার কাছ থেকে গণতন্ত্র শেখার প্রয়োজন নেই: প্রধানমন্ত্রী

১১ জানুয়ারি,২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক
আরটিএনএন
ঢাকা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যারা বোমা-আগুন দিয়ে মানুষ হত্যা করে, যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষমতায় বসায়, তাদের মুখে গণতন্ত্রের কথা মানায় না। ফলে খালেদা জিয়ার কাছ থেকে নতুন করে গণতন্ত্র শেখার প্রয়োজন নেই।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে আরো ২৫-৩০ বছর আগেই দেশ উন্নত ও সমৃদ্ধ হয়ে যেতো। কিন্তু ’৭৫ পরবর্তী যারা ক্ষমতায় এসেছে তারা কখনোই চায়নি বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে দাঁড়াক। ২১ বছর পর ক্ষমতায় এসে আমরাই দেশের উন্নয়নে কাজ করেছি।

তিন আরো বলেন, আল্লাহর রহমতে প্রতিটি মানুষের মুখে অন্ন তুলে দিতে সক্ষম হয়েছি। এখনো যাদের ঘর নেই তাদের তালিকা করছি। দেশের একটি মানুষও গৃহহীন থাকবে না। প্রতিটি গৃহহীন মানুষকে আমরা ঘর করে দেব ইনশাআল্লাহ। সে লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ করে বলেছেন, ‘এতিমের টাকা চুরি করে খেয়েছেন। এতিমের নামে টাকা এসেছে। মামলায় হাজিরা দিতে যান। একদিন যান তো ১০ দিন যান না, পালিয়ে বেড়ান, ব্যাপারটা কী? এতেই তো ধরা পড়ে যায় যে চোরের মন পুলিশ পুলিশ।’

খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ করে প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘তার কাছ থেকে রাজনীতি শিখতে হবে, গণতন্ত্র শিখতে হবে—সেটা বাংলাদেশের মানুষ কোনোভাবে মেনে নেবে না। আজকে দেশের মানুষ শান্তিতে আছে, স্বস্তিতে আছে। দেশের মানুষ সুন্দর জীবনের স্বপ্ন দেখে। মানুষ যখন ভালো থাকে, তখন তাঁর অন্তরজ্বালা সৃষ্টি হয়। এটাই হচ্ছে দুর্ভাগ্যের।’

তিনি বলেন, যারা মানুষ হত্যা করে এবং যুদ্ধাপরাধীদের মন্ত্রী বানায়, তাদের মুখে গণতন্ত্রের কথা শোভা পায় না। তারা সন্ত্রাসী-জঙ্গি। জঙ্গিদেরও তারা উসকে দিচ্ছে। বাংলার জনগণই একদিন তাদের বিচার করবে। গণ-আদালতে এদের বিচার হবে।

জাতীয় সম্মেলনের পর দলের প্রথম এই জনসভায় বক্তব্য দেন তিনি।

মঙ্গলবার বিকেল সোয়া ৪টার দিকে বক্তব্য শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সভা পরিচালনা করেন আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক হাছান মাহমুদ।

জনসভায় আরো বক্তব্য দেন সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, মোহাম্মদ নাসিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বাহাউদ্দিন নাছিম, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হক, দক্ষিণের মেয়র সাঈদ খোকন প্রমুখ।

এর আগে বিকেল ৩টা ২৫ মিনিটে জনসভাস্থলে উপস্থিত হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সমাবেশ উপলক্ষে দুপুরের পর থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে নেতাকর্মীরা পতাকা ও ব্যানার নিয়ে মিছিল করে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আসতে শুরু করেন। তাদের অনেকেরই গায়ে দেখা যায় সবুজ-লাল টি শার্ট, মাথায় সবুজ ক্যাপ। ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে উদ্যানের চারপাশ।

মন্তব্য

মতামত দিন

রাজনীতি পাতার আরো খবর

আগামী সংসদ নির্বাচনে আবার প্রার্থী হবো: আইনমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিনিধিআটিএনএনবি-বাড়িয়া: আগামী সংসদ নির্বাচনে আবার প্রার্থী হবেন বলে ঘোষণা দিয়ে জনগণের কাছে নৌকা মার্কায় ভোট চা . . . বিস্তারিত

তারেকের প্রতি অত্যাচার বন্ধ করে বরং পেঁয়াজের দামের দিকে নজর দিন: আন্দালিব

নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: বিএনপির সিনিয়র ভাইস প্র্রেসিডেন্ট তারেক রহমানের প্রতি অত্যাচার বন্ধ করে বরং পেঁয়াজের দামের . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান, গোলাম রসুল প্লাজা (তৃতীয় তলা), ৪০৪ দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০।
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com